'চিরসখা' ধারাবাহিকে আসতে চলেছে নতুন চমক। সবে যখন সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে কাছাকাছি এসে কমলিনী এবং স্বতন্ত্র, তাদের সম্পর্ক নতুন বাঁক নিচ্ছে, সেই সময়ই ভাঙনের মুখে দাঁড়াবে তাদের বিবাহিত জীবন? কী ঘটতে চলেছে? 

এদিন চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে 'চিরসখা' ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে স্বতন্ত্র এবং কমলিনী এক বিছানায়। স্ত্রীকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে নতুন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে গল্প করছে এবং বলছে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার জন্য কারণ পরদিন বাড়িতে অনেক কাজ। কিন্তু সেই সময়ই ঘটে গেল এক অপ্রীতিকর ঘটনা।

নতুনের কাছে ভোর তথা যাজ্ঞসেনীর ফোন আসে। সে জানায় যে সে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে। ফোনের মধ্যে কাঁদতে থাকে। তখন স্ত্রীকে ফেলে রেখে সেখানে যাওয়ার কথা বলে নতুন। জানায় সে এখনই আসছে, দরকার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে। ফোন রাখতেই যাজ্ঞসেনী ব্যঙ্গের হাসি হাসে। বোঝা যায় তার কোনও আঘাত লাগেনি বা পড়ে যায়নি। বরং সবটাই মিথ্যে নাটক স্বতন্ত্র ওরফে নতুনকে কাছে পাওয়ার জন্য। ভোর যবে থেকে এই গল্পে ঢুকেছে, তবে থেকেই সে চেষ্টা করছে নতুনের ঘনিষ্ট হওয়ার এবং তাঁর আর কমলিনীর মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর। 

এদিন এই প্রোমো প্রকাশ্যে আসার পরই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, 'এই যাজ্ঞসেনী অতিরিক্ত ন্যাকা'। আরেকজন লেখেন, 'দু'জনেই অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করছে'। তৃতীয় ব্যক্তি লেখেন, 'এতদিন যার জন্য এত পাগল হল, আজ তাকে পেয়েই ভুলে গেল?'

এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, 'চিরসখা' ধারাবাহিকটি স্টার জলসার পর্দায় রোজ দেখা যায়। এটি প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে সম্প্রচারিত হয়। মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন অপরাজিতা ঘোষ দাস এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায়।

গল্পে দেখানো হয়েছে ভোর কথায় কথায় বুঝিয়ে দিয়েছে নতুনের প্রতি তার একটা ভাল লাগা আছে। যদিও নতুনের দিক থেকে তেমন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় না। তাকে ঘিরে কমলিনীর মনে ইতিমধ্যেই অশান্তি শুরু হয়েছে। এদিকে স্বতন্ত্র সেটা বুঝতেও পেরেছে। তাই কমলিনীকে যেভাবেই হোক আগলে রাখার চেষ্টা করে সে। কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার শেষে স্বতন্ত্র কমলিনীর প্রতি তাঁর সমস্ত ভালবাসা উজাড় করে দেয়। কমলিনী দর্শক আসন থেকে সবটা শোনে। এদিকে, স্টেজে ভোর দাঁড়িয়ে একদৃষ্টে দেখে। সেটাও নজর এড়ায়নি কমলিনীর। ভোরকে বাড়িতেও নিয়ে আসে স্বতন্ত্র, তখন ভোরের কিছু কথায় অসন্তুষ্ট হয় কমলিনী। সে ভোরের কাছে জানতে চায়, লেখাপড়ায় স্বতন্ত্রকে আইডল যেমন ভাবে সে, তেমনই কি জীবনের আদর্শ পুরুষ হিসেবেও দেখে? ভোর যদিও সে কথার স্পষ্ট জবাব দেয় না। সে জানায় কলকাতায় আসার কারণই হল স্বতন্ত্র। ভোরের এই কথা শোনার পর থেকেই তাকে সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করে কমলিনী।