আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...।

 

'খামোশ'-এর অধিকার শত্রুঘ্নর

 

শত্রুঘ্ন সিনহার আইকনিক সংলাপ ‘খামোশ’ এখন আইনি লড়াইয়ের মুখে। নিজের এই জনপ্রিয় সংলাপটির যথেচ্ছ অপব্যবহার রুখতে এবার বোম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলিউডের প্রবীণ সাংসদ অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁর দাবি, অনুমতি ছাড়া ব্যবসায়িক স্বার্থে তাঁর নাম, কণ্ঠস্বর এবং এই বিশেষ সংলাপটি ব্যবহার করে তাঁর ব্যক্তিগত অধিকার বা 'পার্সোনালিটি রাইটস' লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এবার আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, শত্রুঘ্ন সিনহার নাম, কণ্ঠস্বর কিংবা তাঁর সেই বিখ্যাত ডায়লগ ‘খামোশ’ এখন থেকে তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তাঁর নকল করাও এখন আইনত দণ্ডনীয়। 

 

 

রাজপালের স্ত্রী-ঋণ

 

আইনি জটিলতা আর জেলের ঘানি টেনে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা রাজপাল যাদব। মুক্তি পাওয়ার পর নিজের ভাইজির বিয়েতে এসে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন অভিনেতা। বিশেষ করে স্ত্রী রাধার প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আজ নেটদুনিয়ায় চর্চার কেন্দ্রে। দীর্ঘদিন ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় আইনি লড়াই লড়ছিলেন রাজপাল। সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। জেল থেকে বেরিয়েই তিনি সোজা চলে যান উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে নিজের পরিবারের কাছে, যেখানে তাঁর ভাইজির বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে উপস্থিত হয়ে অভিনেতা জানান, কঠিন সময়ে পরিবার পাশে থাকাটা কতটা জরুরি। তবে অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল রাজপাল যাদবের একটি বক্তব্য। নিজের স্ত্রী রাধার কথা বলতে গিয়ে রাজপাল বলেন, "আমি যদি সাত জন্মও গ্রহণ করি, তবুও রাধার ঋণ শোধ করতে পারব না। যখন আমি জেলের ভিতরে ছিলাম, ও বাইরে একা হাতে পুরো পরিবারকে আগলে রেখেছে। আমার সমস্ত কঠিন লড়াইয়ে ও ছিল বটগাছের মতো।" 

হাসপাতালে ছুটলেন শাহরুখ 

 

বলিউডের ‘বাদশাহ’ শাহরুখ খান শনিবার রাতে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন প্রবীণ চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সলমন খানের বাবা সেলিম খান এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯০ বছর বয়সী এই কিংবদন্তির স্বাস্থ্য নিয়ে চিকিৎসকদের প্রকাশ্য বিবৃতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সলমন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মৃদু মস্তিস্ক রক্তক্ষরণ এবং উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যার কারণে সেলিম খানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। যদিও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাঁর অবস্থা এখন স্থিতিশীল। কিন্তু হাসপাতালের পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিস্তারিত তথ্যে খুশি নয় পরিবার। সূত্রের খবর, সলমন খান ও তাঁর ভাইয়েরা মনে করছেন স্বাস্থ্য সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি বিষয়। চিকিৎসকদের উচিত ছিল কোনও তথ্য দেওয়ার আগে পরিবারের অনুমতি নেওয়া।