প্রয়াত অভিনেতা বিপ্লব দাশগুপ্ত৷ দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ধারবাহিকে কাজ করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা৷ বিপ্লব দাশগুপ্ত মারা যেতেই জয়জিৎ সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, "বিপ্লবকাকু। বিপ্লব দাশগুপ্ত।ভালো থেকো । আর কিছু লিখতে পারলাম না।"
আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল জয়জিৎ ব্যানার্জির সঙ্গে। জয়জিৎ বলেন, "যতটুকু শুনেছি, বাড়িতেই মারা গিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন৷ বিপ্লবকাকুর সঙ্গে আমার বহু স্মৃতি৷"
বিপ্লবকাকুর সঙ্গে পরিচয় ৩২ বছরের৷ আমার বাবা থিয়েটার করতেন৷ আমি তখন 'ক্যালকাটা পারফরমার্স' তমাল রায়চৌধুরীর গ্রুপে থিয়েটার করতাম৷ বাবা তমাল জেঠু আর বিল্পব কাকু ছিলেন এই দলটার স্তম্ভ৷ আমার বড় হয়ে ওঠা এদের সাহচর্যে। তারপর তো একসঙ্গে কাজ করলাম। বিল্পবকাকুর পরিচালনায় আমি কাজ করেছি৷ যতদূর মনে পড়ছে, আমি আর প্রিয়াঙ্কা সরকার হিরো হিরোইন ছিলাম৷
'টুম্পা অটোওয়ালি' বলে একটা ধারাবাহিক হত কালার্স বাংলায়৷ সেখানে আমি আর বিপ্লবকাকু প্রায় দেড় বছর একসঙ্গে কাজ করেছিলাম৷ আমারই বাবার চরিত্রে ছিলেন বিপ্লব কাকু৷ "
একসঙ্গে কাজ করার সময় মেকআপ রুমের মজার অভিজ্ঞতার কথাও স্মৃতিচারণায় জানালেন জয়জিৎ৷ স্মৃতি প্রসঙ্গে জয়জিৎ বলেন, " খুব মজা হত৷ ভীষণ জ্ঞানী মানুষ বিপ্লব কাকু৷ শিক্ষক ছিলেন। স্কুলে পড়াতেন৷ শেক্সপিয়ার গুলে খেয়েছেন। আমার ছেলেও ইংরাজির জন্য ওঁর পরামর্শ নিয়েছে। কথা বলার পর ছেলে বলল, বাবা কী সহজ ভাবে বোঝালেন উনি৷
এত স্মৃতি কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি!
মেকআপ রুমে যখন একসঙ্গে সময় কাটাতাম তখন আমাদের খেলা ছিল ২০ টা প্রশ্ন করা হবে, সেই নিয়ে একজন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে হবে৷ এটা বললে মনে হবে আত্মপ্রচার করছি৷ কিন্তু উনি আমাকে দু'টো প্রশ্ন করেছিলেন৷ আমি উত্তর দিতে পেরেছিলাম৷ তখন বিপ্লবকাকু বললেন, তোকে দেখে যতটা মূর্খ মনে হয় তুই তা নয়৷ এই প্রশ্ন নিয়ে আমি অনেকের সঙ্গে খেলেছি, কেউ বলতে পারেনি৷ এই ঘটনাটা আমার এখনও মনে আছে৷ "















