আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...


আদিত্য ধরকে জীবনীচিত্র পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চান অসমের মুখ্যমন্ত্রী?  


আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ফেসবুক লাইভে জানিয়েছেন, আসামের বীর লাচিত বরফুকনের জীবন নিয়ে একটি জীবনীচিত্র তৈরির জন্য তাঁরা পরিচালক আদিত্য ধরের সঙ্গে আলোচনা করছেন। বিস্তারিত আলোচনার জন্য তিনি আগস্ট মাসে ব্যক্তিগতভাবে আদিত্য ধরের সঙ্গে দেখা করবেন। তবে তিনি একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন—যদি আদিত্য ধর পরিচালনা করতে না চান তাহলে তাঁরা অন্য পরিচালকদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। তাঁদের লক্ষ্য একটাই: বলিউড-সুলভ বিশাল আয়োজনের এমন একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা, যা লাচিত বরফুকনের বীরত্বগাথাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে।

লাচিত বরফুকন আসামের এক সাহসী সেনাপতি, যিনি ১৬৭১ সালে সরাইঘাটের যুদ্ধে বিশাল এক মুঘল বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজের বাহিনীকে এক অভাবনীয় বিজয়ের পথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে মুঘলদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ চিরতরে রুদ্ধ করেছিলেন। ১৬২২ সালে জন্মগ্রহণকারী লাচিত বরফুকন আজও আসামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামরিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সমাদৃত।

 

সোনম ওয়াংচুককে সমর্থন সোনাক্ষীর, প্রশংসা শত্রুঘ্নের

লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন করছেন শিক্ষাব্যবস্থার অনিয়ম দূর করতে৷ দিন দিন শরীর ভেঙে গেলেও অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি নন তিনি৷ সোনম ওয়াংচুকের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিন্‌হা। সেই পোস্ট ঘিরে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। এবার মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে গর্ব প্রকাশ করলেন অভিনেতা তথা সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্‌হা। তিনি বলেন, "আজ আমার প্রিয় মেয়েকে নিয়ে আরও বেশি গর্ব হচ্ছে।" শুধু শত্রুঘ্নই নন, সোনম ওয়াংচুকের টিমও সোনাক্ষীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, কঠিন সময়ে সংহতি প্রকাশ করার জন্য তাঁরা অভিনেত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। শত্রুঘ্নের মতে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয় নিয়ে সচেতন নাগরিক হিসেবে মত প্রকাশ করা অত্যন্ত জরুরি। মেয়ের সাহসী অবস্থান তাঁকে আনন্দিত ও গর্বিত করেছে বলেও জানান বর্ষীয়ান এই অভিনেতা।

 

'সতলুজ' ওটিটি থেকে সরতেই ক্ষুব্ধ অনু কপূর

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে 'সতলুজ' সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মুখ খুললেন বলিউড অভিনেতা অনু কপূর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মাতাদের জনসমর্থন চাওয়ার প্রবণতার তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। অনু কপূরের প্রশ্ন, "জনগণের কাছে সহানুভূতি ভিক্ষা চাইছেন কেন? আত্মদংশনে ভুগে লাভ কী?" তাঁর মতে, যদি সত্যিই অন্যায় হয়ে থাকে, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন প্রচার না করে সরাসরি আইনের দ্বারস্থ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, "সুপ্রিম কোর্টে যান, আইনি লড়াই করুন।" অভিনেতার দাবি, আইনত সমাধান খোঁজার পরিবর্তে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা সমস্যার সমাধান নয়। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই বলিউডে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।