প্রত্যেকটা গানের একটা নিজস্ব গল্প থাকে। তার জন্মের, তার তৈরি হওয়ার। ছবির গান হলে তার দৃশ্যায়নের। আগে গানের জলসায় সেরকম অনেক গল্প গানের ফাঁকে গায়কেরা উপস্থিত শ্রোতাদের শোনাতেন। গানগল্পের এই যাত্রা অনেক কাল স্তিমিত। পরবর্তীতে দূরদর্শনে এরকম কিছু অনুষ্ঠান হত। যেখানে গান আর গল্পের আসর বসত প্রায়ই। আধুনিককালে বেসরকারি চ্যানেলে এমন অনুষ্ঠান কোথায়? পরিচালক অভিজিৎ সেনকে সেই অভাব ছুঁয়ে গিয়েছিল। সেই অনুভূতি থেকেই সারেগামাপা রিয়্যালিটি শো শুরু আগে গানেরই আরও একটা নতুন শো তিনি উপহার দিচ্ছেন দর্শক-শ্রোতাদের। সারেগামাপা লেজেন্ড। সেখানে একের পর এক আকর্ষণ। ছোটপর্দায় অনির্বাণ ভট্টাচার্যের সঞ্চালনা। তাঁর কণ্ঠে কিছু গানের টুকরো ঝলক। সঙ্গে অতীতের সেই গানগল্প!
প্রচণ্ড গরমের পর দিন কয়েক ধরে অঝোরে বৃষ্টি। মেঘের ছায়া রবিবারেও ছিল। সেই রেশ এসে পড়েছিল অনুষ্ঠানের আবহে। সঞ্চালক হঠাৎই গুনগুনিয়ে ওঠেন, রিমঝিম গিরে শাওন। ব্যস গল্প হাজির। কয়েক কলি গুনগুনানির পর অনির্বাণ ফাঁস করেন, গান তৈরির নেপথ্য কাহিনি। তাঁর কথায়, ‘‘মঞ্জিল’ ছবির কালজয়ী গান আপনারা শুনেছেন। কিশোরকুমারের কণ্ঠে গানটি যেন অন্য মাত্রা পেয়েছিল। সুরকার রাহুল দেববর্মন। গানচির দৃশ্যয়ান এখনও সবার মনে গাঁথা। কারণ, গানটি পর্দায় উপস্থাপিত করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন-মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়।’’
গানে যেমন রিমঝিম সুর, পুরো গানজুড়ে ঘনঘোর বর্ষা। এখানেই ট্যুইস্ট। অনেকেই জানেন, নায়ক-নায়িকা জনপ্রিয় হলে আউটডোর শুটিং দেখতে ভিড় জমে যায়। এতে শুটিংয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই অনেক পরিচালক সেটে কৃত্রিম বৃষ্টি তৈরি করে গানের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন। কিন্তু এই ছবির পরিচালক বাসু চট্টোপাধ্যায় ভিন্ন ধারার। তিনি সত্যিকারের বৃষ্টি ধরবেন ছবিতে। তাই এই গান শুটের জন্য বর্যাকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন। তারপর মুম্বইয়ে যখন বৃষ্টি এল তখন নায়ক-নায়িকাকে রাস্তায় নামিয়ে গানের দৃশ্যটি বন্দি করেছিলেন। অনির্বাণের কথায়, ‘‘সেদিন দফায় দফায় ভিজতে হয়েছিল অমিতাভ-মৌসুমীকে। তাই কিছুটা দৃশ্য নেওয়ার পরেই তাঁরা হোটেলে চলে যাচ্ছিলেন। গরম চা খেয়ে চাঙা হবেন বলে। যাতে সর্দিকাশি না হয়।’’ সেই সময় এভাবে অনেক পরিশ্রম করে একটি ছবি তৈরি হত।
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);">
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank">
প্রচণ্ড গরমের পর দিন কয়েক ধরে অঝোরে বৃষ্টি। মেঘের ছায়া রবিবারেও ছিল। সেই রেশ এসে পড়েছিল অনুষ্ঠানের আবহে। সঞ্চালক হঠাৎই গুনগুনিয়ে ওঠেন, রিমঝিম গিরে শাওন। ব্যস গল্প হাজির। কয়েক কলি গুনগুনানির পর অনির্বাণ ফাঁস করেন, গান তৈরির নেপথ্য কাহিনি। তাঁর কথায়, ‘‘মঞ্জিল’ ছবির কালজয়ী গান আপনারা শুনেছেন। কিশোরকুমারের কণ্ঠে গানটি যেন অন্য মাত্রা পেয়েছিল। সুরকার রাহুল দেববর্মন। গানচির দৃশ্যয়ান এখনও সবার মনে গাঁথা। কারণ, গানটি পর্দায় উপস্থাপিত করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন-মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়।’’
গানে যেমন রিমঝিম সুর, পুরো গানজুড়ে ঘনঘোর বর্ষা। এখানেই ট্যুইস্ট। অনেকেই জানেন, নায়ক-নায়িকা জনপ্রিয় হলে আউটডোর শুটিং দেখতে ভিড় জমে যায়। এতে শুটিংয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই অনেক পরিচালক সেটে কৃত্রিম বৃষ্টি তৈরি করে গানের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন। কিন্তু এই ছবির পরিচালক বাসু চট্টোপাধ্যায় ভিন্ন ধারার। তিনি সত্যিকারের বৃষ্টি ধরবেন ছবিতে। তাই এই গান শুটের জন্য বর্যাকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন। তারপর মুম্বইয়ে যখন বৃষ্টি এল তখন নায়ক-নায়িকাকে রাস্তায় নামিয়ে গানের দৃশ্যটি বন্দি করেছিলেন। অনির্বাণের কথায়, ‘‘সেদিন দফায় দফায় ভিজতে হয়েছিল অমিতাভ-মৌসুমীকে। তাই কিছুটা দৃশ্য নেওয়ার পরেই তাঁরা হোটেলে চলে যাচ্ছিলেন। গরম চা খেয়ে চাঙা হবেন বলে। যাতে সর্দিকাশি না হয়।’’ সেই সময় এভাবে অনেক পরিশ্রম করে একটি ছবি তৈরি হত।
View this post on Instagram
















