আজকাল ওয়েবডেস্ক: নববর্ষের দিনে চুঁচুড়ায় একেবারে লঙ্কাকাণ্ড! দলীয় কর্মসূচিতে এসেও মেজাজ হারিয়ে মাঝপথ থেকেই ফিরে গেলেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি।
ঠিক কী হয়েছিল? স্থানীয় সূত্রে খবর, পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ে একটি জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল স্মৃতির। কিন্তু অভিযোগ, নেত্রী নির্দিষ্ট সময়ে সভাস্থলে পৌঁছে গেলেও সেখানে দেখা মেলেনি বিজেপির জেলা সভাপতির। এমনকী তাঁকে স্বাগত জানাতেও কোনও প্রথম সারির নেতা উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে।
বিজেপি শিবিরের অন্দরের খবর, জেলা নেতৃত্বের এই ‘উদাসীনতা’ ও বিশৃঙ্খলা দেখে চরম ক্ষুব্ধ হন স্মৃতি। অভ্যর্থনা জানানো তো দূর অস্ত, নেত্রীর জন্য ন্যূনতম সৌজন্যটুকুও দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ।
এর পরেই আর অপেক্ষা করেননি তিনি। দলীয় কর্মীদের একাংশের অনুনয় সত্ত্বেও সভা না করেই এলাকা ছাড়েন ক্ষুব্ধ স্মৃতি। নববর্ষের দিন খাস হুগলিতে নেত্রীর এই ‘প্রত্যাবর্তন’ ঘিরে এখন জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলে।
প্রসঙ্গত, বাংলায় ভোটের বাজারে একের পর এক ঘটনা ঘটতেই থাকছে৷ এর আগে মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে ফের একবার কুখ্যাত এপস্টিন ফাইল 'খুললেন' কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, মালদার চাঁচোল এবং মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে কিষাণমান্ডির মাঠে নির্বাচনী জনসভা করেন রাহুল গান্ধী।
মুর্শিদাবাদের জনসভা শেষে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান রাহুল গান্ধী। জনসভার সিংহভাগ অংশ জুড়ে রাহুল গান্ধী, নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির উপর আক্রমণ শানান। তবে রাহুল গান্ধীর আক্রমণের হাত থেকে 'ইন্ডিয়া' জোটের শরীক তৃণমূল নেতৃত্বও রেহাই পায়নি। 'এপস্টিন ফাইলে' থাকা মোদির কীর্তি গোপন রেখে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করছেন এই অভিযোগ তোলার পাশাপাশি রাহুল অভিযোগ করেন- এই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেরা কাজ করছে না। এখানে তারা বিজেপির রাস্তা তৈরি করে দিচ্ছে।
সামশেরগঞ্জের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, "এখন দেশে দু'টো বিচার ধারায় লড়াই চলছে। একদিকে কংগ্রেস চাইছে গোটা দেশে সকলের মধ্যে একতা, ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় থাকুক। অন্যদিকে বিজেপি এবং আরএসএস বিদ্বেষ এবং হিংসায় ভরা এক দেশ চাইছে। তারা দেশকে ভাগ করতে চাইছে। দেশের বিচার ব্যবস্থা এবং সংবিধানের উপর ক্রমাগত আঘাত করে চলেছে।"















