আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূলের হয়ে প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন। বিজেপি প্রার্থীর এই অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনার তিন বিএলওকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। ওই তিন বিএলওর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আরও দুই বিএলওকে সাসপেন্ড করেছে কমিশন।
কমিশন জানিয়েছে, বিজেপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল যে, ১০১ অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিএলও হিসেবে নিযুক্ত থাকাকালীন তপনকুমার সাহা, অভিজিৎ দে এবং কুমারজিৎ দত্ত শাসকদলের কার্যকলাপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন এবং রাজনৈতিক প্রচারে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ওই বিজেপি প্রার্থী তাঁর অভিযোগের স্বপক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্লিপও জমা দিয়েছেন। যদি বিএলওদের দোষ প্রমাণিত হয়, তবে তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর গুরুতর লঙ্ঘন। এটি অসদাচরণ, কর্তব্যে অবহেলা এবং নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মীদের জন্য নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতার পরিপন্থী।
এর পরেই কমিশন ওই তিন অভিযুক্ত বিএলওকে নির্বাচনী দায়িত্ব সরিয়ে দেয়। তিন জনকে শোকজ করা হয়। কিন্তু তাঁদের উত্তরে সন্তুষ্ট হয়নি কমিশন। এরপরেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
শুধু এই তিনজনই নয়, দুবরাজপুরের বিএলও মঞ্জুরি চট্টোপাধ্যায় এবং ময়ূরেশ্বরের বিএলওকে সাসপেন্ড করেছে কমিশন। মঞ্জুরির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তৃণমূলের কার্যালয়ে বসে ভোটার স্লিপ বিতরণ করছিলেন এবং ময়ূরেশ্বরের বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সাইকেলে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে ভোটার স্লিপ বিলি করছিলেন। দু’জনকেই শোকজ করা হয়েছিল। শোকজের উত্তরে খুশি না হওয়ায় তাঁদেরও সাসপেন্ড করেছে কমিশন।
এবং এর সমর্থনে একটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিও ক্লিপও পাওয়া গেছে, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে,















