আজকাল ওয়েবডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব ও পাঁচ জেলার সংগঠনের সঙ্গে। নজর ছিল, বৈঠকে তিনি কোন বার্তা দিচ্ছেন সেদিকে। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, 'পদ্মের প্রতীক এই রাজ্যের সুরক্ষা, এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা বিকশিত ও সোনার বাংলা হবে। নিশ্চিত ভাবেই ২০৪৭-এ বিকশিত পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ্যের জন্য এগোবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচন কিভাবে লড়াই হবে, সেই রনকৌশল বলেছেন বানশাল জি।'

এদিন তিনি বলেন, 'আমাদের আজ পাঁচ জেলার সংগঠন নিয়ে বৈঠক হয়েছে। তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমস্ত সংগঠন এক হয়ে ওই একজন প্রার্থীকে নির্বাচনে জেতানোর জন্য লড়াই করার। এটাই সংগঠন। আগে প্রার্থী তারপর পিছনে আমরা থাকব, এটাই বিজেপি।  বুথে জিতলেই নির্বাচনে জয়লাভ হয়, বলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। আমার মনে হয় যেভাবে বিজেপির কার্যকর্তারা যেভাবে বুথ সংরক্ষণ করেন, তার জন্য গর্বিত আমরা। একইসঙ্গে আমি কার্যকর্তাদের বলছি আজ পুরো জনতা পরিবর্তনের শর্তে লড়তে রাজি আছে। কর্মীদের ভোটের মুখে বুস্টার ডোজ একপ্রকার নীতিনের। বলেন, 'আগামী ৪ মে বিজেপি সরকার গঠন করবে এটা নিশ্চিত থাকুন। কিছুদিন আগেই আপনারা একবার হোলি পালন করেছেন। আরও একটা হোলি বাকি আছে সেই হোলিও পালন করা হবে। গেরুয়া আবির দিয়ে আবির খেলা হবে। আগামী ৪ঠা মে গেরুয়া আবির উড়বে।'  নীতিনের দাবি, বাংলার মানুষ, তৃণমূলের ভয়ের বাতাবরণ থেকে বেরোতে চাইছে। 


তৃণমূল কংগ্রেসকে একহাত নিয়ে বলেন, 'যে মা মাটি মানুষদের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল তা সব ভুল প্রমাণিত হয়েছে। কীভাবে জমির ব্যবহার করে অনুপ্রবেশকারীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। ফেন্সিং করতে দেওয়া হচ্ছে না। এই মাটিকে অপমান করা হচ্ছে। এই নির্মম সরকার চলছে এটা থেকে মুক্তি প্রয়োজন খুব শীঘ্রই।' নীতিন বললেন, বাংলায় মহিলাদের সুরক্ষা নেই, নেই যুবদের চাকরি। সুর চড়িয়ে তাঁর বার্তা, 'এখানে শান্তি এলে বিজেপির হাত ধরেই আসবে। নারীরা সম্মান পেলে বিজেপির থেকে পাবে। রোজকার হবে বিজেপির মাধ্যমে। আয়ুষ্মান ভারত হবে বিজেপি এলে।' 

বাংলার ভোটের মুখে, নীতিনের তুলনায় বিহার। বিহারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, 'বিহারে ৫০ লক্ষ চাকরি দেওয়া হয়েছে। এই সরকার যুবদের রোজগার কেড়ে নিয়েছেন। জনতা দাঁড়িয়ে আছে ইস্তেহার পত্র যেটা আসবে সেগুলো মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে তাদেরকে বোঝাতে হবে। প্রত্যেকটা ঘরে ঢুকতে হবে বলতে হবে সংকল্প পত্রের কথা। সংকল্প পত্রের বাইরে কোনওরকম ভাবে কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া যাবে না। আগামী ২৫ থেকে ৩০ দিন পুরোপুরি বাংলাকে দিয়ে দিন। যেভাবে এখানে দুর্নীতি হয়েছে সেই দুর্নীতি থেকে মুক্ত করতে হবে এই বাংলাকে।'