আজকাল ওয়েবডেস্ক: নতুন ঘটনার সাক্ষী ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র। বিজেপির পক্ষ থেকে এই কেন্দ্রে তাদের আগেরবারের বিধায়ক কৌশিক রায়কে সরিয়ে ডালিম রায়কে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলেও, কৌশিক নিজেকেই আসল প্রার্থী বলে দাবি করে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন।
শনিবার জলপাইগুড়ি মহকুমা শাসকের দপ্তরে কার্যত শক্তিপ্রদর্শন করে দুজনেই নিজেদের বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে মনোনয়ন জমা দিলেন। দুজনেই সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন বিশাল অনুগামী বাহিনী। খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়ে যায় কৌতুহল। বিজেপি কর্মীরা রীতিমতো হতবাক হয়ে নেতাদের কাছে দৌড়ন। জানতে চান তাঁদের দলের হয়ে এই কেন্দ্রে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছেন? প্রার্থীদের কাছেও এই একই প্রশ্নও করা হয়।
ডালিম নিজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, "দলের প্রতীক একটাই হয়, আর দল আমার ওপরই ভরসা রেখেছে।"
অন্যদিকে মনোনয়ন জমা দিয়ে কৌশিক রায় রীতিমতো হিন্দি শায়েরি আউড়েছেন। তাঁর কথায়, তিনি কারোর নির্দেশ মানতে নারাজ এবং নিজেকেই পদ্মের প্রকৃত দাবিদার বলে মনে করছেন। এই 'এক ফুল দো মালি'র গেরোয় বিভ্রান্ত ভোটাররাও। তাঁরাও পড়েছেন সমস্যায়। এলাকায় যারা বিজেপির ভোটার বলে চিহ্নিত তাঁরাও স্থানীয় নেতৃত্বের কাছে জানতে চাইছেন ''রহস্যটা কী? আসল প্রার্থী কে? একই আসনে তো একটা দলের দু'জন প্রার্থী হতে পারেন না।"
&t=2s
প্রসঙ্গত, এর আগে এই বিধানসভা আসনে বিদায়ী বিধায়ক কৌশিক রায়ের নাম বিজেপির তরফে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় ছিল। কিন্তু পরে যখন আর একটি তালিকা প্রকাশিত হয় তখন দেখা যায় পদ্ম শিবিরের তরফে কৌশিককে পাল্টে ওই কেন্দ্রে ডালিম রায়ের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষণার পর ডালিম নেমে পড়েন ময়দানে। কর্মীরাও কাজ শুরু করে দেন। কিন্তু শনিবার দুপুরের পর খানিকটা বিভ্রান্তই হয়ে পড়েন কর্মীরা। যদিও এবিষয়ে বিজেপি তাদের তরফে বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছে। রাজ্যে দলের প্রধান মুখপাত্র আইনজীবী দেবজিৎ সরকার জানান, "বিভ্রান্তির কোনও জায়গা নেই। দল প্রার্থী হিসেবে ডালিম রায়ের নাম চূড়ান্ত করেছে। ফলে ওই কেন্দ্রে তিনিই আমাদের দলের প্রার্থী।"
















