আজকাল ওয়েবডেস্ক: আরজি কর হাসপাতাল। রক্তক্ষয়ী হয়েছিল। সুবিচারের আশায়। যদিও জল কিছু কম বয়নি। এতক্ষণে জানা যাচ্ছে আরজি কর হাসপাতালে নিহত চিকিৎসক–পড়ুয়ার মা–বাবা বিজেপির সদস্য হয়েছেন। তবে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সোমবার এমনটাই জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালে কর্মরত এক মহিলা চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ’ করে খুন করা হয়। সেই ঘটনায় উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। সেই আন্দোলনের ঢেউ অনেকটাই স্তিমিত এখন। সেই আবহে পানিহাটি বিধানসভায় ওই নির্যাতিতা তথা নিহত চিকিৎসকের মা প্রার্থী হন কি না, সে দিকেই নজর বাংলার রাজনৈতিক মহলের একাংশের।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘দু’জনেই বিজেপির সদস্যপদ নিয়েছেন।’ এর পাশাপাশি শুভেন্দু এটাও বলেছেন, ‘এই পরিবারের কেউ প্রার্থী হবে কিনা সেটা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঠিক করবে।’ তিনি আরও বলেন গোটা বিষয়টি বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানেন।
এটা ঘটনা, মেয়ের মৃত্যুর উপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করতে চান না। স্রেফ বিচার চান সন্তানহারা বাবা–মা। আর সেই বিচার পেতেই, এবার রাজনীতির ময়দানে। অভয়ার মায়ের প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়তেই, নিজেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, প্রস্তাব ছিল আগে থেকেই, কিন্তু তিনি মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি প্রথমে। তবে শেষবেলায় মনের সাহস জুগিয়ে নিজেই সম্মতি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার অভয়ার বাবা–মা নিজেই জানান, রাজনীতিতে প্রবেশের কথা, প্রার্থী হওয়ার কথা। জানালেন, নারী সুরক্ষায় ভরঅভসা যেমন বিজেপির উপর, জানালেন বামেদের উপর থেকে আস্থা হারানোর কথাও।
তবে এটা ঘটনা, প্রার্থী জল্পনা উঠতেই, বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভয়ার মা সাফ জানান, প্রথম থেকে প্রস্তাব ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নেন, বিজেপির হয়ে প্রার্থী দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল জমানায় ভাল নেই কেউ। তাই এই সরকারের মূল উপড়ে ফেলার জন্যই তিনি গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হতে চাইছেন।
এদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘দু’জনেই বিজেপির সদস্যপদ নিয়েছেন।’ এর পাশাপাশি শুভেন্দু এটাও বলেছেন, ‘এই পরিবারের কেউ প্রার্থী হবে কিনা সেটা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঠিক করবে।’ তিনি আরও বলেন গোটা বিষয়টি বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানেন।
