আজকাল ওয়েবডেস্ক: এবার আর পায়ে হেঁটে গাড়ি ভাড়া করে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে ভোট দিতে যেতে হচ্ছে না৷ কয়েক দশকের আন্দোলনের জেরে গ্রামের প্রাথমিক স্কুলে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন৷ বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা বিধানসভার সিন্দ্রানী গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিনগর গ্রামের প্রায় ৭০০ জন ভোটার হরিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিলেন৷
ভোটাররা জানিয়েছেন স্বাধীনতার পর থেকে হরিনগর গ্রামের মানুষ প্রায় ছয় কিলোমিটার দূর খরের মাঠ এলাকায় ভোট দিতে যেতেন৷ অসুস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা অনেকেই ভোট দিতেন না৷ কেউ পায়ে হেঁটে বা কেউ গাড়ি ভাড়া করে ভোট দিতেন৷ প্রায় ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এলাকায় ভোটকেন্দ্র করার দাবিতে রাস্তা অবরোধ, বিক্ষোভ-সহ নানা পদ্ধতিতে আন্দোলন করে আসছিলেন হরিনগর গ্রামের বাসিন্দারা। অবশেষে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হওয়ায় খুশি এলাকার বয়স্ক ভোটার থেকে শুরু করে গৃহবধূরা৷
তাঁদের বক্তব্য, আগে যেখানে ভোট দিতাম সেখানে ভাঙাচোরা রাস্তা পেরিয়ে ভোট দিতে হতো৷ অনেকেই অসুস্থ থাকায় তাঁরা ভোট দিতে যেতে পারতেন না। এবার বাড়ির পাশে ভোট দিচ্ছি আমাদের খুব ভাল লাগছে। এবার সকলেই ভোট দেবেন৷
প্রথম দফা শান্তিপূর্ণ থাকলেও দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া যাচ্ছে। সকাল ১১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোটদানের হার ৩৯.৯৭ শতাংশ। জেলা অনুযায়ী ভোটের হার হাওড়ায় ৩৯.৪৫ শতাংশ, হুগলিতে ৪৩.১২ শতাংশ, উত্তর কলকাতায় ৩৮.৩৯ শতাংশ, দক্ষিণ কলকাতায় ৩৬.৭৮ শতাংশ, নদিয়ায় ৪০.৩৪ শতাংশ, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৮.৪৩ শতাংশ, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩৭.৯২ শতাংশ, পূর্ব বর্ধমানে ৪৪.৫০ শতাংশ। দ্বিতীয় দফার প্রথম চার ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে গলসিতে। ভোটদানের হার ৪৭.৮৬ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়। সেখানে ভোটদানের হার ৩৩.০৫ শতাংশ।
















