আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও, দ্বিতীয় দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা সামনে আসছে। বুধবার সকালে উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর বিধানসভার একটি ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা ছড়াল। ওই বিধানসভার অবিনাশ কবিরাজ স্ট্রিটে তৃণমূলের ক্যাম্প ভাঙার অভিযোগ উঠল বিজেপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে। শ্যামপুকুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজার দাবি, “বিজেপির প্রার্থী নিজে ক্যাম্প ভাঙছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দাঁড়িয়ে দেখছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি। কিন্তু এ ভাবে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা যাবে না।”
অন্যদিকে, জগদ্দল বিধানসভার একটি বুথে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এদিন উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনী পুলিশের তৎপরতায় এড়ানো গিয়েছে অশান্তি। লিলুয়ায় তৃণমূলের এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নাগালে আনতে লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বাসন্তীতে বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর নিরাপত্তা রক্ষীর আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, পরিস্থিতি সামালাতে এগিয়ে আসেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। মিনাখায় তৃণমূলের দলীয় বুথ ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বিজেপির পক্ষ নিয়ে ষড়যন্ত্র করে এই মারপিট হামলা অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেতা আব্দুল খালেক মোল্লা।
এদিন ভাঙড়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী। তাঁকে ঘিরে তৃণমূলকর্মীরা বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। সেই সময় ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। নওশাদের অভিযোগ, তৃণমূল অশান্তি পাকাতে চাইছে। পানিহাটির বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। ভোটের দিন উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম বিধানসভায়। কেতুগ্রাম বিধানসভার বিরুরী গ্রামের ৩৫ নম্বর বুথ থেকে কিছুটা দূরেই উদ্ধার হয় ছ’টি তাজা বোমা। প্রশ্ন উঠছে কীভাবে ভোটের দিন বুথ সংলগ্ন জায়গায় বোমা পাওয়া গেল? কি কারণে রাখা হয়েছিল এই বোমা ? যদিও কে বা কারা এই বোমা রেখেছে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।
















