আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফের রাজ্য আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার, ২ এপ্রিল কলকাতায় পা রাখবেন শাহ। বিজেপি সূত্রে খবর, আগামীকাল রাত ১১টা কলকাতায় পৌঁছবেন তিনি। এরপর বৃহস্পতিবার দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অর্থাৎ, বৃহস্পতিতে সব নজর থাকবে ভবানীপুরে।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবারই নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন শুভেন্দু। বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী বৃহস্পতিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন বিরোধী দলনেতা। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় শুভেন্দুর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন এমনটাই বিজেপি সূত্রে খবর। মনোনয়োন জমা দেওয়ার আগে আগে জনসভা করতে পারেন তিনি। বিজেপি সূত্রে খবর, এরপর সেখান থেকে রোড শো করার পরই ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিংয়ে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন শুভেন্দু অধিকারী।

সোমবার নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দিয়ে শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, ২৪ এপ্রিল থেকে ভবানীপুরে ঘাঁটি গাড়বেন এবং ২৯ এপ্রিল ভোটের পরে স্ট্রং রুম সিল করেই ছাড়বেন এলাকা। অন্যদিকে, তৃণমূল সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে ভবানীপুরে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন মমতা ব্যানার্জি।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার, ২৮ মার্চ রাজ্যে এসেছিলেন শাহ। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে শাহ বলেন, “বিগত ১৫ বছর ধরে ভয়ের রাজনীতি চলছে, বিভেদের রাজনীতি চলছে। এখন নতুন থিয়োরি মমতা নিয়েছেন। জনকল্যাণ কাজই নির্বাচনের মূল ইস্যু হয়, কিন্তু এখানে ভয়, অরাজকতা এসব দিয়ে নির্বাচন হয়। সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখিয়ে যারা বাংলার মানুষকে শোষণ করে। সিন্ডিকেট মানুষকে সমস্যায় ফেলছে, শেষ করে দিচ্ছে। সিন্ডিকেট রাজের কোনও অ্যাকশন নেই।”

তিনি আরও বলেন, “২০১৪ সালে আমাদের ১৭ পার্সেন্ট ছিল ভোট। ২১ সালে ১০ থেকে ৩৪ পার্সেন্ট ভোট শেয়ার হয়। ৩৪ বছর ধরে কমিউনিস্ট যারা শাসন করল, তারা এখন শূন্য আসন।” তিনি দাবি করেন, “বাংলার মানুষ ঠিক করে নিয়েছে এবার বিজেপি সরকার তারা আনবে। এবার নির্বাচন ভয় থেকে মুক্তির নির্বাচন। অনুপ্রবেশের ভয় থেকে মুক্তির নির্বাচন। বেকারত্বের ভয় থেকে মুক্তির নির্বাচন। শান্তির গ্যারান্টি, সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে, আবাস সঠিক ভাবে যাতে পায়, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ভরসার নির্বাচন। ভয় দূর করে ভরসার নির্বাচন।মহিলাদের সুরক্ষার জন্য এই নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে এক সরকার আনতে হবে। অনেক বছর পর বাংলা বিহার ওড়িশায় একই দলের সরকার হতে চলেছে।”