আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঝোড়ো প্রচারে বিপত্তি! বুধবারের তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের পর, তেমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সেই অভিযোগের পর, বৃহস্পতিবার আরও কিছুটা সুর চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও তার আভাস পাওয়া গিয়েছিল বুধবারেই। বৃহস্পতিবার,  নীতিন নবীনের মন্তব্যের পর, মোদি-নীতিনের ক্ষমা চেয়ে, পথে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের বক্তব্য, আলিপুরদুয়ার এবং সেখানকার মানুষদের ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করার প্রতিবাদে, বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারে প্রতিবাদে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় সূত্রে খবর তেমনটাই। জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারের তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হবে প্রতিবাদ মিছিল। 

ঠিক কী বলেছিলেন নীতিন নবীন? ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে বুধবারেই দেখা যায়, আলিপুরদুয়ারের নাম বলার সময় কিছুটা থমকে গিয়েছিলেন তিনি। ওই ভিডিওর সত্যতা যদিও যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন। 

 

নীতিন নবীনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বুধবারেই তৃণমূল লিখেছে, ‘‌এখানকার নাম কী ভাইয়া?‌ আলিপুর না দুয়ার?‌ এটাই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি!‌’‌ এরপরেই এক্স হ্যান্ডলে লেখা হয়েছে, ‘‌এরা বাংলা বিরোধী বহিরাগত। যাদের বাংলার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। বাংলার প্রতি শ্রদ্ধাও নেই। বাংলার মানুষকে নিয়েও কোনও আগ্রহ নেই। বাংলার ভৌগলিক অবস্থান নিয়েও আগ্রহ নেই। তারপরও আসছে ভোট চাইতে। এরা আচমকা আসে। মানুষকে ভুল বোঝায়। আবার উড়ে চলে যায়। তাহলে আপনার কী প্রয়োজন। এটা অবশ্য স্থানীয় বিজেপি নেতারা জানবেন। বাংলার মানুষ এই ঔদ্ধত্য আর অজ্ঞতা যথেষ্ট দেখেছে।’‌  

নীতিন নবীনের আলিপুরদুয়ারের এই ঘটনায় বেশ বিরক্ত তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক, বুধবারেই তাঁর বক্তব্য সামনে আনেন। তিনি বলেন, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি আলিপুরদুয়ার ও বাংলার মানুষকে অসম্মান করেছেন। তাঁর দাবি, এর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে হবে। নইলে তৃণমূল প্রতিবাদ মিছিল বের করবে। সেই মতোই বৃহস্পতিবার মিছিল বের করছে তৃণমূল কংগ্রেস।