আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোট মেটার পরের ভোট। শনিবার নির্বাচন কমিশন যা জানিয়েছে, তাতে এক কথায় বলা যায়, বাংলায় এবার ভোট হবে বিধানসভার ফলাফল প্রকাশ হয়ের পরে। শনিবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ফলতায় ভোট হবে ২১ মে। ওই বিধানসভার সব বুথেই পুননির্বাচন হবে। ঠিক তার পরেই গর্জে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার রাতেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যনার্জি পোস্ট করে লেখেন, 'দশ জন্ম চেষ্টা করেও বাংলাবিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমার আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলে আঘাত হানতে পারবে না। সব কিছু নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আমি চ্যালেঞ্জ করছি কেন্দ্রকে, ফলতায় ছুটে আসুক। দিল্লির কোনও গডফাদারকেও পাঠাক। সাহস থাকলে ফলতায় লড়ে দেখাক।'
অভিষেকের এই টুইট সকাল থেকে তৃণমূলের একাধিক নেতা-নেত্রীরা রি-শেয়ার করেছেন। কে কী লিখলেন?
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য লিখেছেন- 'বিজেপি এমন কিছুর মুখোমুখি আগে কখনো হয়নি। এমন একটি নির্বাচনী এলাকা যাকে কেনা, ভাঙা বা ভয় দেখানো যায় না।
?s=48
আমরা নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, তাদের ১৬ জন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার প্রত্যেক মন্ত্রীকে তাদের আসন ছেড়ে ফলতায় এসে নিজেদের শক্তি পরীক্ষা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা জ্ঞানেশ কুমারকে আড়ালে থেকে কাজ করা বন্ধ করে সরাসরি জনগণের মুখোমুখি হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সমগ্র নির্বাচন যন্ত্রকে তাদের সমস্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রত্যেক আপোসকারী পর্যবেক্ষক এবং তাদের রণকৌশলের প্রতিটি নোংরা কৌশল প্রয়োগ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
?s=48
ফলতা ফলাতাই থাকবে। ডায়মন্ড হারবার নত হবে না। কারণ শ্রী @abhishekaitc এখানে ১২ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে যা গড়ে তুলেছেন, তা হল আস্থার এক দুর্গ। আর প্রকৃত সেবার ওপর নির্মিত দুর্গ কখনও কারসাজিপূর্ণ কৌশল এবং মনগড়া গল্পের কাছে ভেঙে পড়ে না।'
সুস্মিতা দেব লিখছেন- 'এই বাংলার নির্বাচন বিশ্বের ইতিহাসে লেখা থাকবে, কীভাবে আপোষকামী প্রতিষ্ঠানগুলির দ্বারা একটি গণতন্ত্রকে একনায়কতন্ত্রে পরিণত করা যায়। যদি কোনও নাগরিক মনে করেন যে বাংলায় যা ঘটছে তা ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য, তবে আমি আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি যে ভারতের গণতন্ত্রকে একটি প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে।
@নরেন্দ্র মোদি এতটাই মরিয়া!'
?s=48
তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য লিখেছেন- 'নরেন্দ্র মোদি। অমিত শাহ। ষোলজন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিয়ে ভরা একটি মন্ত্রিসভা। ভারতীয় রাজ্যগুলির নির্বাচনী যন্ত্রের সম্মিলিত শক্তি। ২৪ ঘণ্টা সচল গোদি মিডিয়া। মিথ্যার পেছনে দিনরাত কাজ করে চলা একটি আইটি সেল। এবং তারপরেও, ফলতা।
বিজেপির 'শীর্ষ নেতাদের' প্রতি এটি আমাদের খোলা আমন্ত্রণ। আপনাদের চেয়ার ছেড়ে এখানে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। জ্ঞানেশ কুমার, বিজেপির টিকিট নিন এবং সরাসরি ফলতার ভোটারদের মুখোমুখি হন।'
?s=48
দেবাংশু ভট্টাচার্য, তৃণমূল কংগ্রেসের অপর এক প্রার্থী, তিনি লিখেছেন- 'বিজেপি ভেবেছিল ফলতা কেবল আরেকটি আসন, যা পরিচালনা করতে হবে; কেন্দ্রীয় বাহিনী, অনুগত পর্যবেক্ষক, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পুনঃভোট এবং গোদির মিডিয়া প্রচারণার মাধ্যমে জিতে নেওয়া যাবে। তারা মারাত্মক ভুল করেছিল। তাই এখানে আমাদের আমন্ত্রণ, যা খোলাখুলি এবং বিনা দ্বিধায় জানানো হচ্ছে- নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, আপনাদের ১৬ জন মুখ্যমন্ত্রী, আপনাদের হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মেলানো মন্ত্রিসভা, আজই পদত্যাগ করুন এবং ফলতায় এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন।' তাঁর বার্তাতেও স্পষ্ট, অভিষেক ব্যানার্জি যে ডায়মন্ড হারবার মডেল গড়ে তুলেছেন, সেখানে আঁচ আসতে দেবেন না তাঁরা।















