আজকাল ওয়েবডেস্ক: আদালত জানিয়েছিল, ভোটের দু' দিন আগে পর্যন্ত যেসব বিচারাধীনদের নাম নিষ্পত্তি হবে, ভোট দিতে পারবেন তাঁরা। মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন, খুশি তিনি, তিনি উচ্ছ্বসিত। কত নাম উঠল ভোটের দু'দিন আগে? নির্বাচন কমিশনের সূত্র অনুযায়ী পাওয়া তথ্য, ২৮ লক্ষ বিচারাধীন তালিকা ভোটারদের নামের মধ্যে আবেদন হয়েছিল প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লক্ষ। তাঁদের মধ্যে হিয়ারিং হয়েছে ৯ থেকে ১০ হাজার ভোটারদের। ১৯ জন বিচারকের উপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনাল এ হিয়ারিং বা শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তাদের মধ্যে মাত্র ১৩৮ জনের নিষ্পত্তি হয়েছে। যার মধ্যে বৈধ ভোটারের নাম উঠেছে ১৩৬ জনের এবং দুজনের নাম বাদ গেছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
বলাবাহুল্য, ১৯ জন বিচারকের উপস্থিতিতে এখনও পর্যন্ত ২৮ লক্ষের বিচারাধীন তালিকায় আবেদনকারী ১৪ থেকে ১৫ লক্ষের নামের সমাধান রইল ঝুলে। নতুন করে মাত্র ১৩৬ জন ভোট দেওয়ার অনুমতি পেলেন অর্থাৎ ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে।
শতাংশের হিসাবে যার কোনও পরিসংখ্যানই পাওয়া যায় না। দ্বিতীয় দফায় ট্রাইবুনালে কতজন ব্যক্তির নাম নিষ্পত্তি হবে তা নিয়ে যথেষ্টই ধোঁয়াশা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এর কাজ যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভোটারদের মধ্যে।
প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়। এরপর বিচারাধীন তালিকায় নাম আসে ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারদের নাম। এরপর সেই তালিকার বিচারকরা স্কুটিনি করে প্রায় ২৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এবং প্রকাশিত হয় বাকিদের বৈধ ভোটারের তালিকা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই ২৮ লক্ষের নাম পুনর্বিবেচনার জন্য সিদ্ধান্ত হয় ট্রাইবুনালে তাদের পুনরায় আবেদন জানাতে পারবে।
পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এমনটাও জানানো হয় যে সমস্ত ব্যক্তির অর্থাৎ ভোটারদের নাম ট্রাইবুনালে আবেদনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে তাদের নাম প্রথম দফা এবং দ্বিতীয় দফা ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। আর সেই সমস্ত ভোটাররা ভোটদানে সক্ষম হবে প্রথম দফা কিংবা দ্বিতীয় দফায়। আর এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করল। বুধবারই এই তালিকা সাধারণ মানুষ দেখতে পাবে এবং বুথ ভিত্তিক সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে।















