আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের। সূত্রের খবর, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত, জামিনে মুক্ত কিংবা প্যারোলে থাকা ব্যক্তি, যাঁদের ফৌজদারি ইতিহাস থাকলেও পদমর্যাদা ও ঝুঁকির আশঙ্কার কারণে নিরাপত্তা ছিল, তাঁদের সেই নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর তেমনটাই। বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই ওই নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
নিরাপত্তা বলয়ের অধীনে থাকা ব্যক্তিদের বিধানসভা ভিত্তিক, পুলিশ জেলা ভিত্তিক নাম জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল কমিশন। অর্থাৎ, রাজ্যের কোন বিধানসভার, কন জেলার মোট কত ব্যক্তি, কোন পদের কারণে কিংবা নির্দিষ্ট কোনও কারণে নিরাপত্তার ঘেরাটোপের মধ্যে থাকেন, তার তালিকা চেয়েছে কমিশন।
একইসঙ্গে সূত্রের তথ্য, ভোটের মুখে, রাজ্যের যে কোনও জায়গায় বেআইনি জমায়েত রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমনিতেও ভোটের ঠিক আগে, মালদহ কাণ্ডে উত্তাল রাজ্যের পরিস্থিতি। প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়েও। যদিও ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে আইন শৃঙ্খলা, প্রশাসন কোনওটাই, তাঁর হাতে নেই। কাররযত কমিশনকে নিশানা করেছেন তিনি। মালদহ কাণ্ডে মমতার নিশানায় কংগ্রেসও।
অন্যদিকে, মালদার মোথাবাড়ির ঘটনায় জাতীয় তদন্দকারী সংস্থা (এনআইকে)-কে তদন্তভার দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার এনআইএ তদন্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার৷
বুধবার থেকে উত্তাল মালদহ। মালদহের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই বা এনআইএ। এর আগে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছিল যে, ঘটনার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। পরে বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের তরফে যখন চিঠি প্রকাশ করা হয়। সেই চিঠি থেকেই জানা যায় যে, মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনায় জাতীয় তদন্দকারী সংস্থা (এনআইকে)-কে তদন্তভার দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বৃহসপতিবারেই জানা গিয়েছিল, আগামিকাল শুক্রবারেই (৩ এপ্রিল, ২০২৬) বাংলায় পৌঁছবে এনআইএ তদন্তকারী দল৷ কলকাতা থেকে তদন্তকারীরা মালদহের মোথাবাড়ি যাবেন। জানা গিয়েছে, মোথাবাড়ি নিয়ে প্রাথমিক রিপোর্ট আগামী ৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের কাছে পেশ করবে এনআইএ। সেদিন উপস্থিত (ভার্চুয়াল ) থাকতে হবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার অধিকারিককে।















