আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রথম দফার ভোটের আগের দিন, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে যান তৃণমূলের তিন প্রতিনিধি। শুভাশিস চক্রবর্তী, শশী পাঁজা এবং রাজীব কুমার, বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানেই, অবজার্ভারদের কড়া বার্তা দেন রাজীব কুমার। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রাক্তন পুলিশ প্রধানের, তৃণমূলের সাংসদ হওয়ার পর, কড়া বার্তা দিলেন এই প্রসঙ্গে।
রাজীব কুমার তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, 'আমি পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে চাই। গ্রেপ্তারের এমন আদেশ দেওয়ার কোনও অধিকার তাঁদের নেই। তাঁরা শুধু মৌখিক আদেশ দিচ্ছেন। আমরা এমন পর্যবেক্ষকদের দেখছি যাঁরা বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করছেন। আপনারা হয়তো এখন এটা করছেন, কিন্তু মনে রাখবেন আমরা প্রতিটি বিষয়ের ওপর নজর রাখছি এবং অসাংবিধানিকভাবে কাজ করলে আমরা আপনাদের আদালতে টেনে নিয়ে যাব। নির্বাচনের পর আপনারা যে রাজ্যেই ফিরে যান না কেন, আমরা আপনাদের আদালতে টেনে নিয়ে যাব।'
এদিন তিনি বলেন, 'পুলিশ পর্যবেক্ষকদের মৌখিক নির্দেশের পর ৫০০ জনেরও বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এটি ফৌজদারি কার্যবিধি এবং প্রযোজ্য নির্বাচনী আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমাদের প্রতিক্রিয়া হবে সুপরিকল্পিত, নথিভুক্ত এবং কঠোর।' সঙ্গেই তিনি বলেন, 'সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি, পদমর্যাদা, রাজ্য বা পৃষ্ঠপোষকতা নির্বিশেষে, যে সকল কর্মকর্তা বেআইনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন বা তাতে সহায়তা করেছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ করা হবে, অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং আদালতে হাজির করা হবে।'
এদিন শশী পাঁজা বলেন, , 'আমরা সিইও'র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরে, পুলিশ প্রশাসনের কাছে বিভিন্নভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের উপর আক্রমণ, হেনস্থা আমাদের বিরোধী পক্ষ যেভাবে আচরণ করছে, আমরা যখন তা নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি, ওই জেলার পুলিশ কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ করছে না। এটা পক্ষপাতিত্ব। কারণ, ওই দুই জেলার ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী কিংবা নেতৃত্ব কোনও অভিযোগ জানাচ্ছেন, তখন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সঙ্গে সঙ্গেই। এই পক্ষপাতিত্বের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। আমরা আজ সিইও'কে অভিযোগ জানিয়েছি এই পক্ষপাতিত্বের বিরুদ্ধে। জেলায় যেসব অভিযোগ দায়ের হয়েছে, পুলিশকে তলব করে তাঁদের ভূমিকার কথা জানতে বলেছি।'
















