আজকাল ওয়েবডেস্ক: আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। নিজেকে নিয়ে, দলকে নিয়ে। তবে ফলাফলে দেখা গেল, বিষয় হল সম্পূর্ন উল্টো। তাঁর দল হারল। হারলেন নিজেও। রাজ্যে হারল মমতা ব্যানার্জির দল, ভবানীপুরে হারলেন মমতা নিজে। হারলেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই। হারলেন ১৫,১১৪ ভোটে।

 

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু ছিল এসআইআর। যেভাবে এই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যে শোরগোল পড়েছিল তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন যে এখানে ব্যাকফুটে যাবে বিজেপি শিবির। তবে সোমবার রাজ্যের ভাগ্যে ছিল অন্যকিছু। যত বেলা গড়িয়েছে ততই দেখা গিয়েছে রাজ্যবাসী বিজেপির হাতেই পরবর্তী ৫ বছরের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে। একের পর এক গণনাকেন্দ্র থেকে বিজেপির উত্থানের খবর সামনে আসতে থাকে। ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়তে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। দুপুরের দিকে তিনি এক ভিডিও বার্তায় দলের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। দিকে দিকে বিজেপি সমর্থকদের উল্লাসের ছবি সামনে আসতে থাকে। গেরুয়া আবিরে তখন মুখ ঢেকেছে গোটা বাংলা। উত্তর থেকে শুরু করে দক্ষিণ সর্বত্রই ছিল একই চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করল বিজেপি শিবির। নির্বাচনের ফল ঘোষণার ট্রেন্ডিংয়ের পরই রাজ্যে দেখা যায় বিজেপির ঝড়। একের পর এক আসনে বিজেপি নিজের দাপট দেখাতে শুরু করে। উত্তর থেকে শুরু করে দক্ষিণ সর্বত্রই গেরুয়া দাপট দেখা যায়।

২০১১ সালে রাজ্যে বামেদের পালাবদল ঘটিয়ে ক্ষমতা এসেছিল ঘাসফুল শিবির। তারপর টানা তিনবার জয়ের হ্যাটট্রিক করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। এবার আর তা হল না।