রাজ্যজুড়ে চলছে প্রথম দফার ভোট। নির্বাচনের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে মালদহের ইংলিশবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আশিস কুণ্ডু যেন পুরোপুরি যুদ্ধের মেজাজে। একদিকে নিজস্ব ‘ওয়ার রুম’ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি, অন্যদিকে নিজে পায়ে হেঁটে বুথে বুথে ঘুরে ভোটারদের উৎসাহ দেখছেন তিনি।

 

 

ভোটের দিন ইংলিশবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আশিস কুণ্ডুর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর ব্যক্তিগত পার্টি অফিসটি এখন হয়ে উঠেছে নির্বাচনী ‘ওয়ার রুম’। এখান থেকেই ২৯টি পুর ওয়ার্ড এবং ৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বুথগুলিতে চালানো হচ্ছে কড়া নজরদারি। নির্বাচনের দিন বুথের কোনো অশান্তি, ইভিএম বিভ্রাট বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ—সব কিছুর মোকাবিলায় আশিস কুণ্ডুর এই ওয়ার রুমে ১০ জন কর্মীর একটি দল সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন। আশিসবাবুর কথায়, “কোনও ভোটার যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সেই দিকেই আমাদের প্রধান নজর।”

 

কেবল কর্মীদের ওপর ভরসা না করে, নিজে রাস্তায় নেমে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। পায়ে হেঁটে বুথে বুথে ঘুরে তিনি দেখছেন নির্বাচনের পরিস্থিতি। আজকাল ডট ইন-কে তিনি বলেন, “দাপিয়ে ভোট হচ্ছে। বিন্দুমাত্র কোনো সমস্যা নেই। ব্যাপক হারে ভোট হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের প্রাথমিক আদর্শের উদাহরণ।” নিজের জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী আশিসবাবু। তিনি জানালেন, কেবল দলের কর্মী বা সমর্থকরাই নন, শিল্পী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে টোটো ও ভ্যানচালকরাও ভোট নিয়ে দারুণ উৎসাহী। আশিসবাবুর দাবি, “রাস্তায় বেরোলেই সাধারণ মানুষ হাত নাড়িয়ে জানাচ্ছেন—‘দাদা, আপনিই আসছেন’। এই মানুষের ভালবাসা দেখে আমি কনফিডেন্ট যে বাকি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের তুলনায় আমি অনেকটাই এগিয়ে আছি।”

সকালে নিজের ভোট প্রদান করেই আশিস কুণ্ডু ময়দানে নেমে পড়েছেন। একদিকে টেকনোলজি ও ওয়ার রুমের ব্যাকআপ, অন্যদিকে বুথে বুথে ব্যক্তিগত জনসংযোগ—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে ইংলিশবাজারের রণক্ষেত্রে তৃণমূল প্রার্থী এখন পুরোদমে আত্মবিশ্বাসী। এখন অপেক্ষা কেবল ইভিএম খোলার।