আজকাল ওয়েবডেস্ক: মালদহে মমতা ব্যানার্জির কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোর ঘটনায় চলছে চাপানউতর। এবার ওই ইস্যুতেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঘটনায় উঠে এল বিহার যোগের তথ্য। সূত্রের খবর তেমনটাই।
রবিবার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় পুলিশের হাতে ধৃত তিন যুবকই বিহারের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা যায় ধৃতদের নাম অঙ্কিত কুমার পাসোয়ান, শ্রীকান্ত মন্ডল ও নূর আক্তার। তিনজনেরই বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলায়। তাঁরা কেন মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলের কাছে ড্রোন ওড়াচ্ছিলেন? তাঁদের কী উদ্দেশ্য ছিল এই সমস্ত নানান দিক খতিয়ে দেখছে চাঁচোল থানার পুলিশ। তিঞ্জনেই মমতা ব্যানার্জির সভস্থাওলের আয়জনকদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও খবর সূত্রের।
উল্লেখ্য, শনিবার মালদহের সামসীতে ছিল মমতা ব্যানার্জির নির্বাচনী জনসভা। তিনি দুপুর নাগাদ সভা শেষ করেন। এরপর গাজোলে যাওয়ার উদ্দেশে সামসীর সভাস্থল থেকেই কপ্টারে উঠতে যান। আর ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের 'সামনে আকাশে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পুরো বিষয়টি পুলিশকে খতিয়ে দেখতে বলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।
এই প্রসঙ্গে মালদা তৃণমূল জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি আগেই জানিয়েছিলেন, যারা ড্রোন ওড়াচ্ছিল তাদের ওড়ানো উচিত হয়নি। তাদের প্রোটোকল জানা নেই। উদ্দেশ্য ঠিক কী ছিল সেটা আমরা জানি না। পুলিশ তাদেরকে ধরেছে। তদন্ত করবে। কে ধরা পরেছে কাকে ধরেছে পুলিশ কী করবে সেটা আমার জানা নেই। হেলিকপ্টারের গ্রাউন্ডে এই ভাবে ড্রোন ওড়ানো যায় না।
শনিবারেই জানা যায়, ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশের একটি সূত্র জানায়, একটি সংস্থা মমতা ব্যানার্জির ওই সভার আয়োজনের দায়িত্বে ছিল। কিন্তু তারা বিনা অনুমতিতেই এই ড্রোন উড়িয়ে দেয়। মামলা শুরু করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তারপরেই, রবিবারে সমানে এল বিহার যোগের তথ্য। ওই তিন যুবক সভায় আয়জনকদের সঙ্গে যুক্ত বলেই জানা গিয়েছে প্রাথমিকভাবে। উল্লেখ্য, শনির পরে, রবিতেও একগুচ্ছ সভা, কর্মসূচি রয়েছে মমতা ব্যানার্জির। তাঁর আগামী কয়েকদিনের কর্মসূচিও সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, ৬ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল মমতা ব্যানার্জি সভা করবেন মূলত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। মাঝে ৮ এপ্রিল প্রার্থী মমতার মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা। সূত্রের তথ্য, মনোনয়ন জমা দিয়েই, অন্য প্রার্থীর হয়ে ফের প্রচারে বেরিয়ে পড়বেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।
&t=1800s
















