আজকাল ওয়েবডেস্ক: আর মাত্র কিছুক্ষণের অপেক্ষা। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচন ২৩ এপ্রিল। তার আগে আম আদমি পার্টির (আপ) আহ্বায়ক তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন কেজরি। তিনি বলেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো গণতন্ত্রকে বাঁচাতে এক গুরুত্বপূর্ণ লড়াই লড়ছেন এবং নির্বাচনে তাঁর দলের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আস্থা প্রকাশ করেছেন। আপ আহ্বায়ক নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই বিষয়ে জানিয়েছেন।

কেজরি লিখেছেন, “এইমাত্র ফোনে মমতা দিদির সঙ্গে কথা বললাম। তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছি। তিনি অন্যতম কঠিন একটি লড়াই লড়ছেন, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি লড়াইও বটে। কমিশন-সহ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার করা সত্ত্বেও মোদীজি হারবেন।”

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে ২৩ এবং ২৯ এপ্রিলে। মোট ২৯৪টি আসনেই ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনের ফলাফল ৪ মে ঘোষণা করা হবে।

অন্যদিকে, বিধানসভা নির্বাচনে মমতাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য বিজেপির আক্রমণাত্মক প্রচারের মধ্যেই, শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে মঙ্গলবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর লড়াকু মনোভাবের প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে নারী সংরক্ষণ বিলকে সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিলের সঙ্গে যুক্ত করে দেশকে বিভক্ত করার চেষ্টার জন্য বিজেপিকে অভিযুক্ত করেছেন।

দাদারে ভারতীয় কামগার সেনার এক সভায় বক্তব্য রাখার সময় উদ্ধব বলেন, “বাংলার বাঘিনী বিজেপির বিরুদ্ধে একাই লড়ছে এবং তাঁরই জেতা উচিত।”

তিনি বিজেপির সমালোচনা করে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে  বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করলেও, মণিপুরে যখন কুকি-মেইতেই সংঘাত চরমে উঠেছিল, তখন সেখানে কোনও বাহিনী পাঠানো হয়নি। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২ লক্ষ আধাসামরিক কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু মণিপুরে দাঙ্গা থেকে নারী ও সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ৫০ হাজার কর্মীও মোতায়েন করা হয়নি।”