পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই বাংলার মানুষের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ‘মাছে-ভাতে’ বাঙালি আবেগ নিয়ে শাসক এবং বিরোধী তরজা তীব্র হয়েছে।
2
11
নানা নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল অভিযোগ করছে, বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে বা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগকে বিভ্রান্তিকর এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর কৌশল বলে দাবি করছে।
3
11
এই আবহে শহরে নির্বাচনী প্রচারে এসে মাছ ভাত খেয়ে দুপুরের ভোজ সারলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর।
4
11
রাজারহাটের একটি হোটেলে সাংবাদিক বৈঠকের শেষে মধ্যাহ্নভোজ করেন তিনি। মেনুতে ছিল ভাত, সর্ষে রুই মাছ ও মাংস। বিজেপি নেতাকে মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে খেতে দেখা গিয়েছে।
5
11
খাদ্যাভ্যাস বিতর্কের মাঝেই এক বিজেপি প্রার্থীকে মাছ হাতে প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল। বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভুল প্রমাণ করতেই ভোটের বাজারে সাংবাদিক বৈঠকে এসে মধ্যাহ্নভোজে মাছ-ভাত খেলেন বিজেপি সাংসদ।
6
11
মঙ্গলবার সাংবাদিক অনুরাগ জানান, এবারের নির্বাচন মমতা বনাম জনতা। এই রাজ্যে গত পনেরো বছরে শিল্প-শিক্ষা-স্বাস্থ্য বেহাল, রোজগার নেই।
7
11
আগামী ৪ মে এই রাজ্য থেকে কাটমানি তৃণমূল সরকার, মানি লন্ডারিং, সব বিসর্জন হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে ১ কোটি যুবকদের চাকরি দেবে বিজেপি সরকার আশ্বাস দেন সাংসদ।
8
11
তিনি দাবি করেন, চাকরির পরীক্ষায় পাঁচ বছর ছাড় পাবেন বেকার যুবকরা। পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ ও বিহারের কোথাও উল্লেখ করেন তিনি।
9
11
এছাড়াও অনুরাগ জানান, মহিলাদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গ কে সোনার বাংলা তৈরি করবে বিজেপি। অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে কারণ বিজেপি ক্ষমতায় এলে কাঁটাতারের ব্যবস্থা করা হবে।
10
11
কাঁটা বেছে মাছ খেতে খেতে অনুরাগ বলেন, “১৬ রাজ্যে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী রয়েছে। যার যা ইচ্ছে খাবেন, যাঁর যে ধর্মের ইচ্ছে তা পালন করুন। কিন্তু কারও খাদ্যাভ্যাসের উপর জোর করবেন না। তৃণমূল বিভ্রান্তি ছড়ানো চেষ্টা করছে।”
11
11
মাছ-মাংস বিতর্ক নতুন নয়। সম্প্রতি চুঁচুড়ার এক বিজেপি নেতার ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন। ওই ভিডিওয় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ক্ষমতায় এসে বিহারে মাছ–মাংস খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বিজেপি সরকার। এখানেও বিজেপি ক্ষমতাসীন হলে মাছ–মাংস বন্ধ হয়ে যাবে।” এর পাল্টা আক্রমণ করেছিল তৃণমূল। যদিও বিজেপি নেতা দাবি করেন তাঁর বক্তব্য বিকৃত করা হচ্ছে।