আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইরান-মার্কিন সংঘাতের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নেতিবাচক হয়ে যাওয়ায় শেয়ার বাজার ক্ষতবিক্ষত।
সকাল সাড়ে নয়'টায় এসএন্ডপি বিএসই সেনসেক্স ৮৮৪.৩৫ পয়েন্ট কমে ৮০,৪০২.৮৪ হয়েছে। এনএসই নিফাই৫০ ২৬৭.৪৫ পয়েন্ট কমে ২৪,৯১১.২০ এ দাঁড়িয়েছে।
জিওজিৎ ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের প্রধান বিনিয়োগ কৌশলী ড. ভি কে বিজয়কুমার বলেছেন যে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত অনিশ্চয়তার জেরে অদূর ভবিষ্যতে বাজার আরও প্রভাবিত হবে। তিনি বলেছেন, "বাজারের দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হল অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত জ্বালানি সংকট। ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে, অর্থাৎ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হলেই কেবল ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের দাম তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাবে। এখনও পর্যন্ত এর কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই। অপরিশোধিতধ তেলের দাম ব্যারল পিছু ৭৬ ডলারের কাছাকাছি থাকলে শেয়ার বাজার বাজার দুর্বল থাকতে পারে তবে বড় ধরণের পতনের সম্ভাবনা কম।"
ড. ভি কে বিজয়কুমারের পরামর্শ, অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলা যেতে পারে সংকটের সময় আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করা ভুল কৌশল। বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি না করা উচিত এবং পরিস্থিতি কীভাবে এগোয় তা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। গত কয়েক দশকের সংকটের তথ্য আমাদের বলে যে, বর্তমান সংকটের মতো ঘটনা ছয় মাস পরে বাজারে কোনও প্রভাব ফেলবে না। কোভিড সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং গাজা সংঘাতের মতো সাম্প্রতিক সংকটের পর বাজারের আচরণ থেকে এটাই বোঝা গিয়েছে। চলমান পশ্চিম এশিয়ার সংকটেরল জেরে পরিস্থিতি ভিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে, যেহেতু যুদ্ধ অপ্রত্যাশিত চমক তৈরি করতে পারে, তাই বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকতে হবে।
বিজয়কুমারের মতে, বাজারের দুর্বলতা ধীরে ধীরে ব্যাঙ্কিং, অটোমোবাইল, মূলধনী পণ্য এবং প্রতিরক্ষার মতো দেশীয় ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে উচ্চমানের স্টক সংগ্রহ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
