মিল্টন সেন,হুগলি: গণধর্ষণের অভিযোগে চন্দননগরে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে। ইতিমধ্যেই পুলিশ তদন্তে নেমেছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চার যুবককে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,হরিদ্র ডাঙ্গার এক যুবক চুঁচুড়া তালডাঙায় একটি সেলুন চালান। সেই এলাকার এক তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে জড়িয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কয়েক মাস ধরে চলে সেই প্রেমের নাটক। এর পর জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই যুবক।পাশাপাশি, তরুণীকে ভয় দেখান যে তাঁর দাদু সেনা বাহিনীতে কাজ করেন। তাই ঘটনার কথা অন্য কাউকে বললে গুলি করে তরুণীকে খুন করে দেবেন। এরপর ভয় দেখিয়ে ওই যুবকের বন্ধুদের দ্বারাও একাধিকবার ধর্ষিত হন ওই তরুণী।
জানা গিয়েছে, নিজের সেলুনে এবং বিভিন্ন পার্কে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হত তরুণীকে। গত রবিবার হাত এবং শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। এর পর প্রতিবেশীরা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন এই অত্যাচারের ঘটনা। সঙ্গে সঙ্গে চন্দননগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় পরিবারের তরফে।
মঙ্গলবার চন্দননগর থানার সামনে একটি সমাজসেবী সংগঠনের সদস্যরা জড় হন। তাঁরা ওই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান। অভিযোগে দায়ের হওয়ার পরই পুলিশ চুঁচুড়া ও চন্দননগর থানা এলাকা থেকে এখনও পর্যন্ত চার জন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। এদিনই তাঁদের চন্দননগর আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত করবে চন্দননগর পুলিশ।
তরুণীর প্রতিবেশীরা জানান, উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম বিভাগে পাশ করেছিল মেয়েটি। মেধাবী ছিল ওই তরুণী। তাঁর উপর অত্যাচারের কথা এতদিন ভয়ে বলতে পারেনি। দোষীদের কঠিন শাস্তি দাবি তুলে সোচ্চার হয়েছেন তাঁরা।















