মিল্টন সেন: রাজ্যে ভোট ঘোষণার পরই প্রশাসনের তৎপরতা বেড়েছে জোরকদমে। দ্বিতীয় দফায় হুগলিতে ভোট গ্রহণের কথা ঘোষণা হতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যান্ডেল রেলস্টেশনে কড়া তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে জিআরপি ও আরপিএফ।

স্টেশন চত্বর ও প্ল্যাটফর্ম জুড়ে যাত্রীদের ব্যাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে। শুধু প্ল্যাটফর্মেই নয়, ট্রেনের কামরায় উঠে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে লাগেজ তল্লাশি চালাচ্ছেন রেল পুলিশ কর্মীরা। সন্দেহজনক কাউকে চিহ্নিত করা হলে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।

বড় স্যুটকেস থেকে শুরু করে ছোট ব্যাগ বা বস্তা সব ধরনের লাগেজই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে কোনওরকম নাশকতা বা বেআইনি কাজ যাতে না ঘটে, সেই কারণেই এই বিশেষ নজরদারি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে যাত্রীদের একাংশের মতে, শুধু নির্বাচন নয়, সারা বছরই এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা উচিত। তাঁদের বক্তব্য, রেলপথে যাত্রী নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

ব্যান্ডেল জিআরপির ওসি তুজাম্মাল হক বলেন, ‘নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমাদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হচ্ছে। কোনও দুর্ঘটনা বা নাশকতা যাতে না ঘটে, সেই জন্যই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে বেআইনি অস্ত্র বা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ পাচার হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এখন থেকে প্রতিদিনই নিয়মিতভাবে এই চেকিং চলবে।

এদিকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে নাকা চেকিংও। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পাশাপাশি হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ছবি: পার্থ রাহা