আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফের বন্ধ রাখা হবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু ওরফে বিদ্যাসাগর সেতু। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী রবিবার অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য বন্ধ রাখা হবে। আরও বলা হয়েছে, বিদ্যাসাগর সেতুর স্টে ও হোল্ডিং ডাউন কেবল এবং বিয়ারিং প্রতিস্থাপন-সহ মেরামত ও সংস্কারের কাজের জন্য দ্বিতীয় হুগলি সেতু (বিদ্যাসাগর সেতু) রবিবার ভোর ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মোট ১৬ ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকবে। ওই সময় সেতুতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশনার্স অথরিটি (এইচআরবিসি)-র তত্ত্বাবধানে এই কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। 

কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মা-র স্বাক্ষরিত এই নির্দেশিকায় যান চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জিরুট আইল্যান্ড দিক থেকে এজেসি বোস রোড ধরে বিদ্যাসাগর সেতুর দিকে আসা পশ্চিমমুখী সব ধরনের যানবাহন, টার্ফ ভিউ থেকে অ্যাট-গ্রেড রোড হয়ে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা সেন্ট জর্জেস গেট রোড-স্ট্র্যান্ড রোড–হাওড়া ব্রিজ ব্যবহার করতে পারে অথবা হেস্টিংস ক্রসিং থেকে ডানদিকে ঘুরে কে পি রোড ধরতে পারে।

জে অ্যান্ড এন আইল্যান্ড দিক থেকে কে.পি. রোড ধরে বিদ্যাসাগর সেতুর দিকে আসা পশ্চিমমুখী সব ধরনের যানবাহন, ১১ ফার্লং গেট থেকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা সেন্ট জর্জেস গেট রোড-স্ট্র্যান্ড রোড-হাওড়া ব্রিজ ব্যবহার করতে পারে।

খিদিরপুর দিক থেকে সিজিআর রোড ধরে বিদ্যাসাগর সেতুর দিকে আসা পূর্বমুখী সব ধরনের যানবাহন, হেস্টিংস ক্রসিং থেকে বাম দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা সেন্ট জর্জেস গেট রোড - স্ট্র্যান্ড রোড - হাওড়া ব্রিজ ব্যবহার করতে পারে।

ঘোড়া পাসের কাছে ওয়াই-পয়েন্টের র্যাম্প দিয়ে বিদ্যাসাগর সেতু ব্যবহারকারী কে পি রোডের সব ধরনের যানবাহনকেও কে পি রোডের ওয়াই-পয়েন্ট থেকে ১১ ফার্লং গেটের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা হাওড়া ব্রিজের জন্য কে পি রোড-রেড রোড ব্যবহার করতে পারে।

কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে প্রধান রাস্তাগুলি দিয়েও যানবাহন চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জানুয়ারি আট ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে রাখা হয়েছিল বিদ্যাসাগর সেতু। ওই দিনও স্টে ও হোল্ডিং ডাউন কেবল এবং বিয়ারিং প্রতিস্থাপন সহ বিভিন্ন কাজের জন্য সেতু বন্ধ রাখা হয়েছিল।