আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুরু করে দিতে হবে ২০২৬ সালের বিধানসভার প্রস্তুতি। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী। সেখানে উপস্থিত কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে এই বার্তাই দেবেন জেলার তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে এখবর।
বুধবার দলের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে বিজয়া সম্মিলনীর সূচি। এই সূচী অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিজয়া সম্মিলনী হচ্ছে দক্ষিণ কলকাতা–সহ রাজ্যের তিন জেলায়। এই জেলাগুলি হল বীরভূম, বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা। পূর্ব ও পশ্চিম, দুই বর্ধমানকেই বিজয়া সম্মিলনীর তালিকায় রাখা হয়েছে।
আরজি কর কাণ্ডের পর রাজ্যে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে কর্মীদের কোনও বার্তা দেওয়া হবে কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে রাজ্যের এক সিনিয়র তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, এবিষয়ে সেরকমভাবে কোনও আলোচনার অবকাশ না থাকার কথা। কারণ দলের তরফে বিষয়টি নিয়ে যেন সবাই মুখ না খোলে সেবিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। যদি কেউ বলেন তাহলে আশা করব তিনি এই প্রসঙ্গে চিকিৎসকদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর সংবেদনশীলতার কথা এবং কীভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি বা মূলত বামেরা একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা নিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে সেই বিষয়টি উল্লেখ করবেন। ওই নেতার কথায়, এলাকার বয়স্ক সহ নাগরিকদের সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মী ও স্থানীয় নেতৃত্বকে বলা হবে এখন থেকেই ২০২৬ সালের বিধানসভার প্রস্তুতি হিসেবে সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
এর সঙ্গে আরও দুটি বিষয় তুলে ধরা হবে বলে তিনি জানান। তার মধ্যে একটি হল আবাসের তালিকা যাতে ঠিকঠাক ও দ্রুত তৈরি করা যায় সে বিষয়ে কর্মীদের সহযোগিতা করতে নির্দেশ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি স্থানীয় পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদকে বলা হবে দ্রুত কাজ শেষ করতে। মাসের পর মাস জনগণের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ কাজ ফেলে রাখা চলবে না। এমনকী এবিষয়ে যদি দলের কারুর কোনও গয়ংগচ্ছ বা ঢিলেঢালা মনোভাব চোখে পড়ে তবে ভবিষ্যতে সেই নেতা দলীয় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বলেও বিজয়ার মঞ্চ থেকে সতর্ক করা হবে বলে তিনি জানান।
