আজকাল ওয়েবডেস্ক : মুর্শিদাবাদের তেঘরিয়া-নাজিরপুর থেকে একটি বেসরকারি গাড়িতে স্কুলে যাওয়ার সময় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার শিকার হলেন প্রায় ১৫ জন ছাত্রছাত্রী ।গুরুতর আহত অবস্থায় ১১ জন স্কুল ছাত্রছাত্রী বর্তমানে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ।এক ছাত্রের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে মেডিক্যাল কলেজের আইসিইউ বিভাগে ভর্তি করানো হয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে আহত ছাত্ররা সকলেই নার্সারি বিভাগ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা নাগাদ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলার সীমান্তবর্তী পলাশি ফুলবাগান মোড় এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,প্রত্যেকদিনের মতো শুক্রবার সকালে মুর্শিদাবাদের তেঘরিয়া-নাজিরপুর এলাকার প্রায় ১৫ জন ছাত্রছাত্রী একটি ভাড়া করা স্কুল গাড়িতে নদিয়ার পলাশিতে অবস্থিত 'লিটল ডায়মন্ড একাডেমি' নামে এটি বেসরকারি স্কুলে ক্লাস করতে যাচ্ছিলো। মঙ্গলবার সকালে ওই ছাত্র-ছাত্রীরা যখন ভাড়া করা 'ম্যাজিক ভ্যানে' করে স্কুলে যাচ্ছিল সেই সময় পলাশি ফুলবাগান মোড়ের কাছে স্কুল গাড়িটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে।
বেসরকারি ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক তোফাজ্জল মন্ডল জানান," প্রত্যেক দিনের মতো মঙ্গলবার সকালেও তেঘরিয়া-নাজিরপুর থেকে প্রায় ১৫ জন ছাত্র-ছাত্রী একটি ম্যাজিক ভ্যানে করে স্কুলে আসছিল। তারা যখন পলাশি- ফুলবাগান মোড়ে এসে পৌঁছায়, সেই সময় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে স্কুল গাড়িটির। "
তিনি জানান," আসন্ন নির্বাচনের জন্য ফুলবাগান মোড়ে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফ থেকে নাকা তল্লাশি চালানো হচ্ছে ।ডাম্পার গাড়িতে তল্লাশি চালানোর জন্য পুলিশকর্মীরা সেটিকে দাঁড় করিয়েছিলেন। হঠাৎ করেই ডাম্পার গাড়িটি রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে পড়ায় স্কুল ভ্যানটি সময় মতো ব্রেক করতে পারেননি এবং সজোরে গিয়ে ডাম্পার গাড়িটির পেছনে ধাক্কা মারে। "
এই ঘটনায় স্কুল গাড়িতে থাকা প্রায় ১৫ জন ছাত্রছাত্রীর আঘাত লাগে। চারজন ছাত্র-ছাত্রীকে পলাশি গ্রামীন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয় এবং তাদেরকে সেখান থেকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১১ জন ছাত্রছাত্রীকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে।
তবে ওই বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, দুর্ঘটনার শিকার স্কুল গাড়িটির মালিকানা ওই স্কুলের নয় । ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা ওই গাড়িটি ভাড়া করে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতেন।















