আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বিচারক নিয়োগ করা হয়েছে এসআইআরের কাজে। স্বাভাবিক কারণেই বিঘ্নিত হয়েছে বিচার প্রক্রিয়া। কার্যত বন্ধ রয়েছে বিচারের কাজ। ফলে চরম ভোগান্তির শিকার সাধারণ বিচার প্রার্থীরা। আদালতে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। বিচারক না থাকায় কোনও কাজ হচ্ছে না।

হুগলির জেলা আদালতে একই ছবি। জেলা জজ সহ অতিরিক্ত জেলা বিচারকরা নিযুক্ত হয়েছেন এসআইআর এর কাজে। চুঁচুড়া জেলা আদালতের সব কক্ষেই প্রায় কাজ বন্ধ রয়েছে। সিজেএম আর থার্ড কোর্টে বিচারক রয়েছেন। কোর্টে এসে কাজ না হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন বিচার প্রার্থীরা।
এই প্রসঙ্গে বিজেপির আইনজীবী স্বপন পাল দাবী করেন,সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তা একদম সঠিক। আরও আগে দিলে ভালো হত। ভোটার তালিকায় বেনোজল, ভুয়ো ভোটার ঢোকানোর চেষ্টা রাজ্য সরকার করেছিল তা বন্ধ হবে। পাল্টা তৃনমূল কংগ্রেসের আইনজীবী নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেছেন, এমন একটা সিদ্ধান্তের ফলে কোর্টের স্বাভাবিক কাজ কর্ম ব্যহত হচ্ছে। সাধারণ বিচার প্রার্থীর হয়রানি বাড়ছে।

সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে প্রায় সব বিচারক এসআইএর কাজ করছেন। বিচার ব্যবস্থা নিরপেক্ষ। তাই এটা ভালো হয়েছে। তবে, স্বচ্ছতার দাবি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও করেছিলেন। এই প্রসঙ্গে আইনজীবী শুভদীপ দাস বলেন। এমনিতেই বিচারক কম। তার উপর এসআইআর এর কাজে বিচারকরা চলে যাওয়ায় আদালতে আসা বিচার প্রার্থীরা হয়রান হচ্ছেন। আদালতে আসা বিচার প্রার্থীরা জানান,কাজ না হওয়ায় ফিরে যেতে হচ্ছে। ভোগান্তি চরমে। কী হবে কিছুই বুঝতে পারছেন না।
