আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার দেশের শীর্ষআদালতে এসআইআর মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই, একদিকে যেমন লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট, সূত্রের খবর, এদিন বড় বার্তা দেওয়া হয়েছে এসআইআর তথ্য হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গাহ্য হবে কি না তা নিয়েও। সূত্রের খবর, সোমবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, এসআইআর-এর তথ্য হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে অনুমোদন দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়,
প্রাথমিকভাবে কমিশন যেসব তথ্য গ্রাহ্য বলে জানিয়েছিল, তারমধ্যে ছিল মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও। কিন্তু, ১৫ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, ভারতের নাগরিক হওয়ার বৈধ নথি হিসেবে দেখানো যাবে না মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড। এক বিবৃতি মারফত নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয় এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি। এই সিদ্ধান্ত সামনে আসার পর, রাজনৈতিক মহলে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সুর চরায় রাজ্যের শাসক দল। অনেকেই মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেই নথি হিসেবনে জমা দিয়েছিলেন, কী হবে সেক্ষেত্রে, প্রশ্ন ওঠে তা নিয়েও। মাধ্য়মিকের অ্যাডমিট কার্ড ইস্যুতে সুর চড়িয়েছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও।
এদিন এই বিষয়েও এক প্রকার জয় এল তৃণমূলের। সূত্রের খবর, এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে বিএলও ২-দের শুনানিতে থাকতে দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুনানির স্থানের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও।
এসআইআর মামলায় এবার দেশের শীর্ষ আদালতের বড় নির্দেশ নির্বাচন কমিশনকে। সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনকে প্রকাশ করতে হবে 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি'র তালিকা। প্রকাশ করতে হবে তিনদিনের মধ্যেই। এবং শুনানি শেষ করতে হবে ১০ দিনের মধ্যে। স্বাভাবিকভাবেই শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ এসআইআর আবহে বিরাট নির্দেশ।
নির্বাচন কমিশনকে এসআইআরে-এ তথ্যগত অসঙ্গতি অর্থাৎ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এই কারণে যাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাঁদের থেকে কোন কোন তথ্য নেওয়া হয়েছে, তাও প্রকাশ করার নির্দেশ, সূত্রের খবর তেমনটাই। জানা গিয়েছে, তথ্য গ্রহণের পর, তার রসিদ দিতে হবে।
সূত্রের খবর, এদিন মামলায় প্রধানবিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা টাঙাতে হবে কমিশনকে। শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশের পরেই অভিষেক বলেন, এই জয় মা-মাটি মানুষের জয়।
এর আগে, রাজ্যের শাসক দল, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি বারবার সরব হয়েছেন লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে। এর আগে, ১৩ তারিখে নবান্ন সভাঘর থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে সুর চড়ান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, খবর আছে, আগে ৫৪ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছে, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি'র নামে আরও এক কোটি ৩৩ লক্ষ থেকে ৩৬ লক্ষ নামের তালিকা করেছে, যে তালিকা কোনও দলকে দেয়নি।
