রিয়া পাত্র
জোটের ভোট। ২০২১-এর পর ২০২৬-এও। যদিও দু'দশক পর, বাংলায় এবার হাত শিবির অর্থাৎ কংগ্রেস একা একাই লড়াই করবে। তবে জোটের পথে হাঁটছে বাম-আইএসএফ জোট। জোট নিয়ে আলোচনার জন্য আলিমুদ্দিনে বুধবার বৈঠকে বসেছিলেন ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের নওশাদ সিদ্দিকি এবং বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। বেশকিছু আসন নিয়ে সমঝোতা হয়ে গিয়েছে, কিছু আসন নিয়ে সমঝোতা এখনও বাকি। বুধবার সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েই, একসঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন বিমান বসু এবং নওশাদ সিদ্দিকি। তার আগেই আজকাল ডট ইন-এর সঙ্গে জোট নিয়ে, সমঝোতা নিয়ে কথা বললেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক, ২০২১-এর জোটের একমাত্র বিধায়ক, নওশাদ সিদ্দিকি।
আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ?
নওশাদ: না। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি আমরা। যদিও বেশকিছু আসন নিয়ে কথা বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো বাকি। আগামিকাল সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জানাব আমরা।
কোন কোন আসনে, কীভাবে সমঝোতা?
নওশাদ: কিছু আসনের ক্ষেত্রে বামেরা নিজেদের দাবি সামনে রেখেছিল। কিছু আসনের ক্ষেত্রে আমরা আমদের দাবি সামনে রেখেছিলাম। যুক্তি তর্ক দিয়ে আমরা বুঝিয়েছি দু'পক্ষ দু'পক্ষকেই। তাতে আমরা পারস্পারিকভাবে বেশকিছু জায়গাকে মেনে নিয়েছি। আমরা লোকসভা ভিত্তিক, জেলাভিত্তিক এই আলোচনা করেছি। যুক্তি দিয়ে দেখা হয়েছে, কোন দল কোথায় দাঁড়িয়ে।
যেমন...
নওশাদ: যেমন রানিনগর। মুর্শিদাবাদের এই আসন নেওয়ার জন্য আমরা ব্যাকুল ছিলাম। বামেরাও ছাড়তে চায়নি। বামেরা যে যুক্তি দিয়েছে আলোচনায়, তাতে আমরা বুঝেছি ওই আসন জিতে আসার জন্য আমাদের থেকে বামেরা বেশি শক্তিশালী। আমরা ছেড়ে দিয়েছি। আবার দেগঙ্গা আসনের কথা ধরুন। আমাদের দু'পক্ষের দাবি ছিল। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচন-সহ বহু তথ্য দিয়ে আমরা দেখাই, ওই আসনে আমাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি। বামেরা সেটা মেনে নিয়েছে।
ভাঙড়?
নওশাদ: ভাঙড় আসন রইল আইএসএফ-এর জন্যই। এই আসনে আগামী নির্বাচনে লড়াই করবে আইএসএফ-ই।
ভাঙড়ে কি এবারেও প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকিই?
নওশাদ: সেটা এখনও ঠিক হয়নি। তবে ভাঙড় থাকছে আইএসএফ-এরই। আগামিকাল আমরা জানাতে পারব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর, যে, আমরা কত আসন চেয়েছিলাম, কত আসন পেলাম, কোথায়, কীভাবে সমঝোতায় এলাম।
