আজকাল ওয়েবডেস্ক: 

তৃণমূলের শিক্ষক নেতা তথা অভিষেক ব্যানার্জি ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মইদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ডায়মন্ড হারবারে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ নেতড়া এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২২ সালের একটি আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার তদন্তে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি মইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালে আচমকাই নেতড়া এলাকায় অভিযান চালায় ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ। সেখান থেকেই মইদুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়। রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। 

মইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে দায়ের হওয়া একটি আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় মইদুল ইসলামের নাম উঠে আসে। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটির তদন্ত চলছিল। সম্প্রতি তদন্তে কিছু নতুন তথ্য উঠে আসার পরই পুলিশ নড়েচড়ে বসে বলে সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার সকালের অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

মইদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত এবং ডায়মন্ড হারবার মহকুমায় তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচিত মুখ হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক মহলে তিনি অভিষেক ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। ফলে তাঁর আটকের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা বেড়েছে রাজনৈতিক অন্দরে।

যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনও বিবৃতি সামনে আসেনি। পুলিশ সূত্রে খবর, আপাতত তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধীদের একাংশ শাসকদলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মইদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে, নাকি শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মঙ্গলবার সকালের এই ঘটনায় ডায়মন্ড হারবার জুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।