মিল্টন সেন, হুগলি: বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই হঠাৎ বেজে এল ফোন। দু'দিন আগে ফোনের ওপার থেকে নির্দেশ এল ভোটের ডিউটির। অকস্মাৎ এই বার্তায় বিভ্রান্ত রেলকর্মীরা। কেন এই নির্দেশ, কী দায়িত্ব-সবই অজানা তাঁদের।

জানা গেছে, সোমবার রাতে হঠাৎই ফোনে মেসেজ পান ৩৩ জন রেল কর্মী। হোয়াটসঅ্যাপে জানতে পারেন ভোটের ডিউটি পড়েছে। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালেই সকলে কাজে যোগ দেন। অভিযোগ, ভোটের দায়িত্বের জন্য কোনও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি তাঁদের। আগে কখনও ভোটের ডিউটি করেননি কেউই। জানেন না কী ভাবে ভোট করাতে হয়। তবুও হঠাৎই রেল কর্মীদের ভোটের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ভোটের ডিউটি।

সূত্রের খবর, রেলকর্মীরা খড়গপুর রেল ডিভিশনে কর্মরত। তাঁরা মঙ্গলবার ভোরেই পৌঁছে যান চুঁচুড়া এইচ আই টি কলেজে। কলেজের ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার থেকেই ইভিএম সংগ্রহ করেন সকলে। কারওর বাড়ি হাওড়ায়, কারওর বাড়ি বাগনান আবার কারওর কলকাতায়। নির্বাচনের কাজ করতে হবে। কিন্তু আগামীকাল তাঁদের নিজেদের ভোটদান রয়েছে। কিন্তু কী করে দেবেন, সেটা জানা নেই। রেলকর্মীদের দাবি, তাঁরা ভোট দিতে চেয়ে কমিশনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু সদুত্তর পাননি। তাঁদের যেহেতু শেষ মুহুর্তে ভোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট হয়নি। বুধবার, ভোটের দিন, তাঁদের কী কাজ করতে হবে, সেটা কেমন তা-ও তাঁদের জানা নেই। তেমনই তাঁদের ভোটটা আদৌ পড়েছে কিনা, তা নিয়েও সন্দিহান তাঁরা।

 

উল্লেখ্য, বুধবার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। এই পর্বে ভোট রয়েছে- পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায়।