আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই ক্রমশ রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাকফুটে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যজুড়ে একের পর এক পুরসভায় ভাঙন ধরছে একদিকে।
অন্যদিকে, একাধিক গ্রেপ্তারিরও খবর মিলেছে। আবার, আর একদিকে সোমবার দলবিরোধী কাজের জন্য দুই বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জি এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার পথে নামছেন তৃণমূল নেত্রী। মঙ্গলবার দুপুর দুটো নাগাদ রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিন ফেসবুক লাইভে এসে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘আমি একটা মিটিংয়ের পারমিশন চেয়েছি সাত দিন আগে। পারমিশন মানে পুলিশকে ইনফরমেশন দিতে হয়, দিয়েছি। আজ স্টেজ করতে গেছে, বলছে না এখানে করা যাবে না।’
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, রানি রাসমণি রোড বরাবরই একটা মিটিংয়ের স্পট হিসেবে চিহ্নিত। তিনি বলেন, ‘আমরা অফিশিয়াল চিঠি দিয়েছি, তারপরেও পুলিশ আমাদের পারমিশন দেয়নি। সিএসসির কাছ থেকে মাইক্রোফোনের পারমিশন নেওয়া হয়েছে। আজকে সেখানে ডেকরেটরের একজন গেছে চৌকি পাততে আর মাইক লাগাতে। পুলিশ বলছে, না না এখান থেকে মিটিং শিফট করুন, আবার পারমিশন নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘কালকে প্রোগ্রাম, আজকে কি করে মিটিং শিফট করবে? আগে কেন বলেননি?’ সম্প্রতি নিটের প্রশ্ন ফাঁস, হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে বিজেপিকে আক্রমণ করে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হকারদের উচ্ছেদ করেছেন তার প্রতিবাদ করার পারমিশন চাইতে হচ্ছে। নিট রেজাল্ট নিয়ে ছেলেমেয়েদের রাস্তায় বসিয়েছেন, শিক্ষকদের চাকরি খেয়েছেন, ঘরবাড়ি ভেঙে তছনছ করেছেন, জীবন জীবিকা কেড়েছেন। তার জন্য প্রতিবাদ করতে রাস্তায় একটা ধরনা করতে দেওয়া হবে না? আমি আপনাদের পরিষ্কার বলছি, কালকে সকাল দশটা থেকে আমাদের বুকিং করা আছে। সবাইকে বলব আসতে।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশ যদি আমাদের পারমিশন না দেয় আমরা রাস্তায় বসব। রাস্তায় বসার লোক আমরা। ধরনা হবে। আমাকে যেখানে আটকাবেন আমি সেখানে বসব। সেটাই আমার ধর্নাস্থল হয়ে উঠবে। আমি নিজেও দুটোর মধ্যে গিয়ে পৌঁছব।’
মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, ‘অ্যারেস্ট করলে আমরা অ্যারেস্ট হব। চিন্তার কোনও কারণ নেই। তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্য বলেন, ‘ভয় পাবেন না। ভয় পেলে আপনাকে কিন্তু ৩৬৫ দিনই ভয় পেতে হবে। আর আপনি যদি বীরের মতো লড়েন, আপনাকে বড়জোর এক মাস জেলে রাখতে পারে। তারপরে আপনি কিন্তু ফ্রি হয়ে যাবেন, ফ্রি বার্ড।’
















