আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২৪ ঘণ্টারও কম ব্যবধানে রাস্তায় নেমে আক্রান্ত হতে হয়েছে তৃণমূলের দুই সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি এবং কল্যাণ ব্যানার্জিকে। রবিবার সকালে হুগলির চণ্ডীতলায় তৃণমূলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন কল্যাণ ব্যানার্জি। সেখানেই তাঁকে দেখে 'চোর' স্লোগান ওঠে।
সেই স্লোগানের মধ্যেই কল্যাণের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে ঘটনাস্থলেই মাঝরাস্তায় লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বারবার টার্গেট করা হচ্ছে সাংসদদের।
এই ঘটনার খবর পেয়েই এদিন দুপুরে কল্যাণের বাড়িতে ছুটলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। কল্যাণ ব্যানার্জির বাড়িতে গিয়ে তাঁর শরীরের খোঁজখবর নেন মমতা।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, কল্যাণের শারীরিক পরিস্থিতি বর্তমানে কেমন আছে সে সম্পর্কেও খোঁজ নেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার অভিষেককে নিয়েও হাসপাতালে গিয়েছিলেন মমতা। এদিন ছুটলেন কল্যাণের বাড়িতেও।
প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলে সোনারপুরে দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জিও।
কিন্তু এলাকায় পৌঁছনোর পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি অভিষেকের কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তাঁর গাড়ির দিকে ডিম ছোঁড়া হয়, ইটের টুকরো ছুঁড়ে মারা হয় এবং ‘চোর’, ‘চোর’ স্লোগানে গোটা এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে নিরাপত্তার কারণে অভিষেককে গাড়ি থেকে নেমে নিরাপত্তারক্ষীদের ঘেরাটোপে হেঁটে যেতে হয়। মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ চলতেই থাকে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও কিছু সময়ের জন্য ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিষেককে লক্ষ করে ছোড়া হয় ডিম, অভিযোগ পাথর ছোড়ারও।
শনিবার সোনারপুর থেকে সোজা কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে পৌঁছন অভিষেক। মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেন, সেই সময় ওই হাসপাতাল ভর্তি নেয়নি।
চাপ দেওয়া হয়েছিল ভর্তি না নিতে। নিয়ে যাওয়া হয় অন্য হাসপাতালে। ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে সেখানেও। ঠিক তার পরের দিন, আক্রান্ত হলেন কল্যাণ ব্যানার্জি।
রবিবার, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের গ্রেপ্তারি, আটকের প্রতিবাদে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচিতে ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেখানেই আক্রমণ করা হয় তাঁকে।















