আজকাল ওয়েবডেস্ক: পর পর দু'দিন আক্রান্ত দুই দলীয় সাংসদ। অভিষেক ব্যানার্জির পর জনরোষে জেরবার কল্যাণ ব্যানার্জি। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদের উপর 'হামলা'র পরই শনিবার প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল সুপ্রিমোকে। রবিবার মমতা ব্যানার্জি, সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জির কাছে গিয়ে শারীরিক অবস্থায় খোঁজখবর নেন। তারপরই সরব হন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর সাফ দাবি, 'বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করছে।'
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন মমতা ব্যানার্জি?
অভিষেক ব্যানার্জির প্রসঙ্গ টেনে, কল্যা ব্যানার্জির আক্রান্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে পোস্ট করেছেন তৃণমূল নেত্রী। লিখেছেন, 'গতকাল, বিজেপি সমর্থকরা তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক ব্যানার্জির ওপর নৃশংস হামলা চালায় এবং তাঁকে গণপিটুনি দেয়। সেই ভয়াবহ ভিডিওগুলো এখন সর্বজনসমক্ষে রয়েছে। আজ, লোকসভায় আমাদের মুখ্য সচেতক কল্যান ব্যানার্জিও বিজেপির একটি পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছেন। বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করছে।'
তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া:
তৃণমূলের পক্ষেও ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুই সাংসদের উপর 'হামলা'র নিন্দা করা হয়েছে এদিন। প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে তোলা হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। দলের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, 'গতকাল অভিষেক ব্যানার্জির ওপর হামলার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই, আজ শ্রী কল্যাণ ব্যানার্জি চণ্ডীতলা থানায় একটি স্মারকলিপি জমা দিতে যাওয়ার পথে আক্রান্ত হন। বিজেপি-পৃষ্ঠপোষিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনি আহত হয়েছেন। এই গুণ্ডাদের থানার বাইরে জড়ো হওয়ার অনুমতি কীভাবে দেওয়া হল? পুলিশের উপস্থিতিতে কীভাবে ইটবৃষ্টির ঘটনা ঘটতে পারল?'
ভোট পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনাকে 'সম্পূর্ণ অরাজকতা! বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখা হয়েছে, 'নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ২৬ দিন অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে, অথচ ভোট-পরবর্তী হিংসা এখনও অব্যাহত রয়েছে। সম্পূর্ণ অরাজকতা! গণতন্ত্র আজ আক্রান্ত!'















