আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে। তার ১২ ঘণ্টার আগেই, কমিশন বাংলার মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দেয়। ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা পর, ফের বড় বদল প্রশাসনিক স্তরে। পরপর বদলে, রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা। কারণ ভোটের মুখে প্রশাসনিক স্তরে বদল স্বাভাবিক হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে একেবারে ভোট ঘোষণার পরেই, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, অদলবদল করা হয়েছে শীর্ষ পুলিশ পদে। রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে বদল করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের নতুন ডিজি হচ্ছেন সিদ্ধনাথ গুপ্ত। ওই পদে ছিলেন পীযূষ পাণ্ডে। কলকাতার কমিশনার পদ থেকে সরানো হয়েছে রাজ্য সুপ্রতীম সরকারকে। ওই জায়গায় বসানো হল অজয় কুমার নন্দাকে।
এবার সামনে এল আরও বড় রদবদল। এক যোগে ৩০ আমলাকে বদলির নির্দেশ। যদিও এই রদবদল হয়েছে ১৩ তারিখে, অর্থাৎ ১৩ মার্চ। তবে এই বদলের বিজ্ঞপ্তি সামনে এসেছে ১৬ মার্চ। বিজ্ঞপ্তিতে যদিও স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে প্রশাসনিক কাজে গতি আনার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩০ জন আমলার তালিকার প্রথমেই নাম, অনন্ত চন্দ্র সরকারের। পর্যটন দপ্তর থেকে তিনি যাচ্ছেন উত্তর দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক হয়ে।
পুষ্পক রায়, মালদহ ডিভিশনের সহকারী কমিশনার পদ থেকে তিনি যাচ্ছেন মালদহের অতিরিক্ত জেলাশাসক হয়ে।
বিষ্ণুব্রত ভট্টাচার্য যাচ্ছেন মুর্শিদাবাদের এডিএম হয়ে, তিনি এর আগে আইটি ও ইলেকট্রনিক্স দপ্তরে ছিলেন।
নদীয়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক হচ্ছেন সুদীপ্ত দাস, অন্যদিকে উত্তর চব্বিশ পরগনার অতিরিক্ত জেলা শাসক হচ্ছেন, শুভলক্ষ্মী বসু।
বাঁকুড়ার নতুন জেলাশাদক হচ্ছেন দেবারতী সরকার। তিনি এর আগে আইসিডিএস-এর জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিলেন। দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায়ও যাচ্ছেন বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক হয়ে।
হুগলির অতিরিক্ত জেলাশাসক হচ্ছেন নীলাঞ্জন পাল এবং নাভেদ আখতার।
পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক হচ্ছেন, সুবর্ণ রায়।
