আজকাল ওয়েবডেস্ক: মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই মদ খেয়ে পরীক্ষা দিতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়ল এক পরীক্ষার্থী। মালদহের একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘটল এমন ঘটনা। পরীক্ষার্থীর এই আচরণে হতভম্ব পরীক্ষকরাও।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী মালদহ শহরের একটি নামী স্কুলের ছাত্র। প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষাকেন্দ্রের তিন তলা ভবনে এক শিক্ষিকা মদের গন্ধ পান। সন্দেহ গিয়ে পড়ে পরীক্ষার্থীর উপরেই। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আধিকারিকদের জানান ওই শিক্ষিকা। এর পর ওই পরীক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মদ্যপানের বিষয়টি স্বীকার করে নেয় ওই ছাত্র। তবে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না করে ভবিষ্যতে এমন আচরণ না করার নির্দেশ দিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই পরীক্ষার্থীকে।

বিষয়টি জানানো হয় ওই ছাত্রের স্কুলের শিক্ষকদেরও। তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হয়ে প্রচন্ড বকাবকি করেন ওই ছাত্রকে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় হতবাক শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বিশিষ্টজনদের মতে, এই ঘটনা পরিবারের দায়িত্ব এড়ানোর ফল। আরও বেশি সচেতন হওয়া উচিত পরিবারকে।

অন্যদিকে, বর্ধমানের জামালপুরে মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় স্কুল পরিদর্শককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষা পরিদর্শনে ওই বিদ্যালয়ে যান এসআই প্রশান্ত কবিরাজ। সেই সময় তাঁর উপস্থিতিতেই স্কুলের স্ট্রং-রুমে এক গ্রুপ সি কর্মীর মোবাইল ফোন বেজে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওই মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেন এবং নিয়ম মেনে অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তল্লাশি নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। 

অভিযোগ, এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন এবং এসআই প্রশান্ত কবিরাজকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁকে একটি ঘরে আটকে রাখাও হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত স্কুল পরিদর্শককে উদ্ধার করে এবং দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।