শনিবার দুপুরে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অসমের শিলচর থেকে কলকাতায় আসবেন তিনি। বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে আসবেন হেলিপ্যাডে। তারপর সড়কপথে আসবেন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। বিজেপি সূত্রে খবর, বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস এবং উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর পৌনে ৩টে থেকে সাড়ে ৩টে পর্যন্ত ভাষণ দেবেন। এরপর ফিরে যাবেন দিল্লিতে। ব্রিগেডে তাঁর সভাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রস্তুত সভাস্থলও। কর্মী-সমর্থকেরা ধীরে ধীরে ব্রিগেডে আসছেন। পাঁচ বছর পর ফের ব্রিগেডে সভা করবেন মোদি। শেষবার সভা করেছিলেন ২০২১ সালের ৭ মার্চ বিধানসভা নির্বাচনের আগে। এবার নির্বাচনের আগেই ব্রিগেডে সভা। এখনও নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি যদিও। তবুও দলকে চাঙ্গা করতে এবং শাসকদল তৃণমূলের উদ্দেশে কী বার্তা দেন সেদিকে থাকবে নজর।
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৪ : ৫৫
দিলীপ ঘোষ বললেন...
তিনি বলেন, "চোর-ডাকাতের সরকারকে বিদায় দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গকে বিজেপির হাতে তুলে দিন। আমরা রাজ্যে স্বপ্নের পরিবর্তন করব। আপনার ছেলে বাড়ি ছেড়ে গুজরাত বা অন্য কোথাও চাকরি করতে যাবে না।"
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৪ : ১৩
রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, আহত শশী পাঁজা
বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তৃণমূলের। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুরের অভিযোগ। আহত হয়েছি, দাবি করলেন মন্ত্রী। এমনকি তাঁর বাড়ির সামনে পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে আহত বউবাজার থানার ওসি।
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৪ : ০৭
কী বললেন সুকান্ত?
ব্রিগেডে মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী কৃষকসম্মান নিধিতে ১৩ হাজার কোটি টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী কি এগুলো দেখতে পান না? উল্টে আলু চাষিদের বঞ্চনা করছেন আপনি।" সুকান্ত আরও বলেন, "পশ্চিমবঙ্গবাসীর মনে নরেন্দ্র মোদির জায়গা রয়েছে। ৪০ দিনের মধ্যেই বিসর্জন হবে তৃণমূলের। বাংলায় শেষ হবে তৃণমূল।"
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৩ : ৩৬
সংখ্যাগুরুকে বঞ্চনার অভিযোগ তাপস রায়ের
ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে মমতাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাপস রায়। তাঁর অভিযোগ, সংখ্যাগুরুকে বঞ্চনা করছেন মমতা।
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৩ : ৩০
আর কিছুক্ষণে কলকাতায় মোদি
সভাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং মিঠুন চক্রবর্তী। আর কিছুক্ষণের মধ্যে কলকাতায় নামবেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যসচিব নন্দিনি চক্রবর্তী।
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৩ : ২৬
এসআইআর নিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ অগ্নিমিত্রা পালের
এদিন অগ্নিমিত্রা বলেন, "বাংলাদেশিদের বাঁচানোর জন্য বৈধ ভোটারদের নাম তুলতে দিলেন না।" এর পাশাপাশি, চাকরি দুর্নীতি, ধর্ষণ এবং অন্যান্য বিষয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। অগ্নিমিত্রা বলেন, "রাজ্যের মানুষ আপনার উপর ভরসা করেছিলেন। আপনি পশ্চিমবঙ্গকে শ্মশানে পরিণত করেছেন।"
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৩ : ২১
সভার শুরুতে বক্তব্য রাখলেন নিশীথ প্রামাণিক
এদিনের সভায় প্রথম বক্তব্য রাখেন উত্তরবঙ্গের বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক। বক্তৃতায় তিনি দাবি করেন যে, উত্তরবঙ্গ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কোনওটিই পূরণ করেননি। এর পাশাপাশি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি দিচ্ছে না রাজ্য।
১৪ মার্চ ২০২৬ ১২ : ১৩
ব্রিগেড চত্বরে গ্যাসের সিলিন্ডারের সমাহার

চারিদিকে গ্যাসের জন্য হাহাকার। বার বার ফোন করেও গ্যাস বুক করা যাচ্ছে না। ডিস্ট্রিবিউটরদের দোকানের বাইরে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। কিন্তু ব্রিগেড চত্বরে ঘরোয়া গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার করে রান্নার আয়োজন করা হয়েছেন। এই নিয়ে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের কুণাল ঘোষ। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, "যাঁরা গ্যাসের জন্যে লাইনে দাঁড়িয়ে, জেনে রাখুন, আজ ব্রিগেডে প্রচুর গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।"
১৪ মার্চ ২০২৬ ১২ : ০৯
নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ব্রিগেড
প্রধানমন্ত্রীর সভাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। মোদির নিরাপত্তার সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন এডিজি (কোস্টাল) হরিকিশোর কুসুমাকার। এ ছাড়া দায়িত্বে থাকবেন তিন হাজার পুলিশ। নিরাপত্তা কারণে কর্মী-সমর্থকদের সভাস্থলে ব্যাগ নিয়ে প্রবেশে করতে দেওয়া হচ্ছে না।
১৪ মার্চ ২০২৬ ১০ : ২৫
সভায় ৪০ হাজারের বেশি চেয়ার

বিজেপি সূত্রে খবর, সভায় মোদির সভা উপলক্ষে ব্রিগেডে ৪০ হাজার চেয়ার পাতা হবে। এছাড়াও আরও অনেকের বসার ব্যবস্থা থাকছে। সভাস্থলে পাতা চেয়ারের ছবি পোস্ট করে কটাক্ষ করেছেন কুণাল ঘোষ। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “মোদিজির ব্রিগেড? এমনভাবে জায়গা নষ্ট করে সাজানো হয়েছে যে ৪০ হাজার লোক এলে দেখে মনে হবে যেন কত লোক। মঞ্চ, ডি জোন, একদিক পুরো পার্কিং-এর জন্য ছাড়া। ৪২ হাজার চেয়ারের অর্ডার, ছড়িয়ে বসানো। লোক ভরবে না, জায়গা ভরবে। বিজেপি সূত্রের খবর, অন্য রাজ্য থেকে লোক আনা হচ্ছে ট্রেনে, বাসে, গাড়িতে। এরাজ্যের কুড়ি হাজার লোকও আসার সম্ভাবনা নেই।”
১৪ মার্চ ২০২৬ ১০ : ০৬
তৃণমূলের কটাক্ষ, পড়ল পোস্টারও

মোদির সভাকে ঘিরে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে তৃণমূল। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের আদলে তৈরি মঞ্চকে কটাক্ষ করে বলেন, “পুজোর মণ্ডপ নাকি!” স্লোগান তোলা হয়েছে, বয়কট বিজেপি। এর পাশাপাশি, বাঙালি মনীষিদের অপমানের অভিযোগ তুলে ‘মোদি গো ব্যাক’ লেখা পোস্টার টাঙানো হয়েছে শহরের বিভিন্ন স্থানে। অপর একটি পোস্টারে বাংলার প্রাপ্য এক লক্ষ ৯৬ হাজার কোটি টাকা মেটানোর দাবি তোলা হয়েছে।
১৪ মার্চ ২০২৬ ০৯ : ৫৯
শিয়ালদহ এবং হাওড়ায় অস্থায়ী ক্যাম্প

রাত থেকেই সভাস্থলের দিকে আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। শিয়ালদহ এবং হাওড়া স্টেশনে রাত থেকেই বাড়তে শুরু করেছে ভিড়। স্টেশনে অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়েছে। শিয়ালদহে তদারকির দায়িত্বে সজল ঘোষ এবং হাওড়ায় শঙ্কর ঘোষ রয়েছেন।
১৪ মার্চ ২০২৬ ০৯ : ৫২
শহরে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ
প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফর নিয়ে শহরে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ভোর ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কলকাতার বড় রাস্তাগুলিতে গ্যাসের সিলিন্ডার, তেল, জরুরি পণ্য ছাড়া অন্য কোনও ভারী যানবাহন ঢুকবে না। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশন ছাড়াও শ্যামবাজার, ধর্মতলা এবং উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক মিছিল ব্রিগেডের পথে আসার কথা রয়েছে। মিছিলের চাপ সামলাতে ভোর ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ট্রাম ও অন্যান্য যানবাহনের রুট ঘুরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে পুলিশ। শনিবার ব্রিগেডের মাঠ ও তার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। নেতৃত্বে থাকবেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত নগরপাল, যুগ্ম নগরপাল, ডেপুটি কমিশনার পদের আধিকারিকরা।
১৪ মার্চ ২০২৬ ০৯ : ৫০
সভা মঞ্চে বিশেষ চমক
শনিবারে নরেন্দ্র মোদির সভার থিম দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির। মঞ্চের ব্যাকড্রপ হিসেবেও দক্ষিণেশ্বেরকেই ব্যবহার করা হচ্ছে। মঞ্চের চারপাশে থাকছে বাংলার লোকশিল্প, হাওড়া ব্রিজ, বাউলগীতির বিভিন্ন নিদর্শন।
১৪ মার্চ ২০২৬ ০৯ : ৪৭
সভাস্থল পরিদর্শনে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। শমীক জানিয়েছেন, শনিবারের সভা ঐতিহাসিক সভা হতে চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির লক্ষ্য বাঙালি অস্মিতায় জোর দেওয়া। এর আগে সিঙ্গুরের সভাতেও বাংলা ভাষা এবং বাংলা সংস্কৃতির ওপর জোর দিতে দেখা গিয়েছিল মোদিকে।
১৪ মার্চ ২০২৬ ০৯ : ৪৫
প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে

মোদির সভা ঘিরে ব্রিগেডে কড়া নিরাপত্তা। সভায় ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা থাকছে বলে জানা গিয়েছে। দফায় দফায় সভাস্থল পরিদর্শন করেছে কলকাতা পুলিশ, ঘুরে গিয়েছেন রাজ্য ডিজি আইনশৃঙ্খলা বিনীত গোয়েলও। গোটা সভার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে এসপিজি। তাছাড়াও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কলকাতা পুলিশ। মূল মঞ্চের পাশে বড় ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে, মঞ্চের চারদিকে একাধিক হ্যাঙ্গার রয়েছে। প্রত্যেক হ্যাঙ্গারে নিরাপত্তাকর্মীরা থাকছেন। এসপিজি ছাড়াও কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সভায় প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাফিক পুলিশ এবং ৫০০ থেকে ৬০০ কলকাতা পুলিশের কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে।
















