আজকাল ওয়েবডেস্ক: দলবিরোধী কাজের অভিযোগ এনে ঋতব্রত ব্যানার্জি এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা পোস্ট করে নিজের অবস্থান করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
সোমবার বিধানসভার বাইরে ঋতব্রত এবং সন্দীপনকে তীব্র আক্রমণ করে বসলেন তিনি। বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে এদিন তিনি বলেন, ‘এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেন কী করে ওঁরা? দলের সিদ্ধান্তের কথা স্পিকারকে জানিয়েছেন। দলের মধ্যে যদি কোনও সমস্যা থাকে তাহলে সেটা আগে দলকে বলুক।’
তাঁর বক্তব্য, ‘তৃণমূলের হয়ে জেতার পর এবার সরকারের পক্ষে বলছেন তাঁরা। দল যদি এতটাই খারাপ হয় তাহলে তাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন কেন ভোটে? বিরোধী পক্ষ বলে আজ সব খারাপ হয়ে গেল।’
ক্ষুব্ধ কুণালের বক্তব্য, ‘যারা বিধানসভায় পাঠাল তাদের প্রতি এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা। মানুষ এর বিচার করবেন।’ পাশাপাশি, এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক।
তিনি বলেন, ‘এর জন্য শুভেন্দুকে আমি ধন্যবাদ জানাই। উনি বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন।’ অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কুণাল লেখেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস করি। নেতৃত্বের প্রতি আমার বহু অভিযোগ, রাগ, যন্ত্রণা ছিল এবং আছে। আমার জীবন অপবাদে ধ্বংস করতে গেছিল এদের কেউ কেউ। জ্ঞানত কোনো অপরাধ করিনি। তখন তো আজকের বিপ্লবীরা কেউ মুখ খোলেনি। তবু, আমি দলের সৈনিক থেকে গেছি।’
তাঁর বক্তব্য, ‘এবার বিধানসভা নির্বাচনে দলনেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। দলের প্রতীকেই আমি এবং আমরা বিধায়ক। ফল প্রকাশের এক মাসও হয়নি। তার আগেই দলে বিদ্রোহ, বিশ্বাসঘাতকতা?? দলের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ?? তাহলে আমরা দাঁড়িয়েছিলাম কেন??’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘দিদি মুখ্যমন্ত্রী হলে তো অনেকে মন্ত্রী হওয়ার লবি করত। এখন হঠাৎ নানা কারণ দেখিয়ে দূরত্ব?? দলের ভালোর সময়ে ক্ষমতা, ছবি, সেলফি; আর খারাপ সময়ে হাঁটু কাঁপছে???? ভয়??? বিরোধী বিধায়ক হতে ভয়???’
শেষে তিনি লেখেন, ‘কর্মীরা মনে রাখুক এই বলে, আমাকে বিপদে ফেলে একসময় দল আমার পাশ থেকে সরে গেছিল। কিন্তু দলের বিপদে কুণাল ঘোষ দলের পাশ থেকে সরেনি।’















