রিয়া পাত্র: মঙ্গলে একুশে জুলাই। একপ্রকার শক্তি পরীক্ষা দুই শিবিরের। কোন মঞ্চের সামনে ভিড় কতটা হবে, তা নিয়ে চিন্তা, হিসেব, পরিকল্পনা, বাকি নেই কিছু। জেলা থেকে লোকজন এসে দাঁড়াবেন কোথায়? কত মাথা হবে একসঙ্গে? এসব জল্পনার মাঝেই, শনিবার সন্ধেয় জল্পনা বাড়ল কিছুটা এক তথ্যে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জি দিল্লি যাচ্ছেন। সূত্রের খবর, রাতের বিমানে যাবেন, ফিরেও যাবেন রবিবার কিংবা সোমবার। অর্থাৎ একুশে জুলাইয়ের আগেই ফের শহরে ফিরবেন তিনি। 

 

কিন্তু একুশে জুলাইয়ের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশের আগে, ঋতব্রত দিল্লিতে কেন? একুশে জুলাইয়ের আগেই কি তাহলে আরও একদফা কমিশনে যাচ্ছে ঋতব্রত তৃণমূল? কারণ, জোড়া ফুল শিবিরের নাম প্রতীক, তহবিল কার? সেই উত্তরের বল এখন কমিশনের কোর্টে। কালীঘাট তৃণমূল কমিশনের কাছে নিজেদের দাবির প্রেক্ষিতে নথি জমা দিয়েছে আগেই। সঙ্গেই প্রশ্ন তুলেছে, দু'বার ডেডলাইন পেরোনোর পরেও কেন নথি জমা দেয়নি ঋতব্রত শিবির?

 

তবে কি কমিশন নিয়েই কাজ? তড়িঘড়ি ডাক এল দিল্লি থেকে? যদিও ঋতব্রত ব্যানার্জি নিজে খানিক হালকা ছলে জানাচ্ছেন কাজ আছে দিল্লিতে। তবে কী কাজ? খোলসা করেননি নিজেও। 

 

অন্যদিকে একুশে জুলাই যত এগিয়ে আসছে, তত ভিড় বাড়ছে ঋতব্রত শিবিরে। একেবারে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য থেকে অনুব্রত মণ্ডল, মদন মিত্র। একে একে হাত ধরছেন ঋতব্রতর। আগামী সপ্তাহে ব্রাত্য বসু, সন্ধ্যারানি টুডুর সম্ভাবনা যোগদানের। সূত্রের খবর সোম কিংবা একেবারে মঙ্গলে শিবির বদলে সিলমোহর দেবেন তাঁরা। এসবের মাঝেই ঋতব্রত যাচ্ছেন দিল্লিতে। কিছু সমীকরণ আরও সহজ করতেই?