আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাড়ির মধ্যেই মর্মান্তিক পরিণতি এক পরিবারের তিন সদস্যের। হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি স্ত্রীর। বাদ গেল না নাবালক ছেলেও।
শনিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার কুমারপুরে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইলেক্ট্রিক শক খেয়েই মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের। আজ সন্ধ্যায় কুমারপুর গ্রামের বাসিন্দা সিরাজ মল্লিক (৪৩) নিজের বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করছিলেন। সেই সময় হঠাৎ বিদ্যুৎপৃষ্ট হন তিনি। তাঁকে বাঁচাতে ছুটে যান তাঁর স্ত্রী আলিয়া বিবি(৪১) ও তাঁর ছেলে আনাস মল্লিক(১২)।
নিমেষের মধ্যেই সিরাজ মল্লিকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী, ছেলেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তিনজনেই মারা যান। স্থানীয়দের দাবি থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হলদিয়ার ভবানীপুর থানার পুলিশ।
স্থানীয়দের সহায়তায় তিনজনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একটি বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা মুহূর্তের মধ্যেই একটি সুখী পরিবারকে শেষ করে দিল। ঘটনায় গোটা কুমারপুর গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই এমন আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল চুঁচুড়ায়। পাঙ্খাটুলি এলাকার একটি গ্যারেজে চার্জে ছিল একটি টোটো। সেই টোটোতে হাত দিতে গিয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বছর ২৫-এর এক যুবক। নাম শেখ রোহিত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চার্জে থাকা ওই টোটোটিতে হাত দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে আটকে পড়েন শেখ রোহিত। বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নজরে আসতেই তাঁরা দ্রুত ছুটে যান সেখানে। রোহিতকে বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে সরিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তবে ততক্ষণে তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন।
জানা গিয়েছে, গ্যারেজটির পাশেই মৃত যুবকের বাবার একটি সবজির দোকান রয়েছে। রোহিত প্রায় প্রতিদিনই সেখানে যেতেন। রাতেও বাবার দোকানের পাশে সাইকেল নিয়ে এসে দাঁড়ায় এক ব্যক্তির টোটোর গ্যারেজে। আর সেই সময়ই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।















