আজকাল ওয়েবডেস্ক: জোড়া ফুল কার? তা নিয়ে বিতর্ক জোড়া শিবিরে। এক পক্ষ বলছে তারাই আসল তৃণমূল। অন্যদিকে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা বলছেন, যাঁরা তাঁর সঙ্গ ছেড়েছেন তাঁরা গদ্দার। এক পক্ষ বলছেন, প্রতীক থাক না থাক, মমতা ব্যানার্জির মুখই সব। এক পক্ষ বলছে, প্রতীক চাওয়ার ব্যাপারই নেই, কারণ তারাই 'আসল তৃণমূল'। নিজেদের দাবির পাশে সিলমোহর দিতে, কমিশনেও গিয়েছে দু'পক্ষ। এবার বড়  নির্দেশ।

বৃহস্পতিবার কমিশনে গিয়েছিল টিম ঋতব্রত। ২২ জুন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানারে 'স্পেশাল-সেশন' করার পর, কমিশনকে চিঠি দিয়ে তারা সাক্ষাতের আর্জি জানায়। কমিশন সেই আর্জিতে সাড়া দিয়ে, দশ প্রতিনিধিকে ডাকে দিল্লিতে। ২ জুলাই দিল্লিতে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে টিম ঋতব্রত। তারা দিল্লি থেকে ফেরার আগেই, দলের ফয়সালার আরও বড় আপডেট। 

সূত্রের খবর, কমিশনের তরফ থেকে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত তৃণমূল, দু'পক্ষকেই, তাদের বক্তব্য-দাবির ভিত্তিতে চিঠি দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সঙ্গেই নিজেদের নথি-তথ্য দেওয়ার জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে সময়। সূত্রের খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশন, ৬ জুলাই, সোমবার, বিকেল পাঁচটার মধ্যে দুই শিবিরকেই, তাদের নথি, বক্তব্য কমিশনকে জানানোর কথা বলেছে। 

 

প্রতীক-নামের সঙ্গেই তৃণমূলের এখন বড় দোলাচল তহবিল নিয়েও। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট নিয়ে মামলার শুনানি ছিল বৃহস্পতিবার। সূত্রের খবর, শুনানিতে সব পক্ষ এদিন, আর্জি জানায়, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ জারি রেখেই, দলের দৈনন্দিন খরচের জন্য যুগ্ম স্পেশাল অফিসার  নিযুক্ত করার। তবে সূত্রের খবর, এই মামলা নিয়ে আজও কোনও নির্দেশ দিল না আদালত। জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, অ্যাকাউন্টের অর্থের পরিমাণ জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে জানাতে হবে অর্থের পরিমাণ। সঙ্গেই মামলার পরবর্তী দিনক্ষণও জানিয়েছে আদালত। আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।