আজকাল ওয়েবডেস্ক: বীজপুর বিধানসভা এলাকায় 'ঝটকা' পদ্ধতিতে কাটা মাংস বিক্রি হবে। সেই দোকানের সংখ্যা বাড়ানোর কথাই এ বার ঘোষণা করলেন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস। পাশাপাশি, তাঁদের পুরস্কৃত করার কথাও জানালেন। এই ঘোষণার পর থেকেই এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

 

বিধায়কের ঘোষণা অনুযায়ী, বীজপুর বিধানসভা এলাকায় কেউ নতুন করে 'ঝটকা' মাংসের দোকান খুললে তাঁদের উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে। বিধায়কের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দোকানদারদের ১০ হাজার টাকা নগদ আর্থিক সহায়তা বা অন্য কোনও পুরস্কার দেওয়া হবে।

 

প্রসঙ্গত, এর আগে 'ঝটকা' মাংস খাওয়ার প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে মত প্রকাশ করেছিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। এবার সেই বিতর্কের আবহেই আরও একধাপ এগিয়ে 'ঝটকা' মাংসের দোকানের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগের কথা জানালেন বীজপুরের বিধায়ক।

 

বিধায়কের দাবি, বহু মানুষ 'ঝটকা' পদ্ধতিতে কাটা মাংস কিনতে চান। কিন্তু অধিকাংশ বাজারে এই ধরনের দোকানের সংখ্যা অত্যন্ত কম। ফলে ক্রেতারা নিজেদের পছন্দমতো মাংস কেনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। সেই কারণেই বাজারে 'ঝটকা' মাংসের সহজলভ্যতা বাড়াতে তিনি এই আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, খাদ্যাভ্যাস সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। বাজারে হালাল পদ্ধতিতে কাটা মাংস সহজে পাওয়া গেলেও ঝটকা পদ্ধতিতে কাটা মাংসের দোকান খুবই কম। ফলে যাঁরা 'ঝটকা' মাংস কিনতে চান, তাঁদের সমস্যায় পড়তে হয়। এই উদ্যোগে সেই সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে বলেই তাঁদের আশা।

 

স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘোষণার পর ইতিমধ্যেই কয়েকজন ব্যবসায়ী 'ঝটকা' মাংসের দোকান খোলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিধায়কের দাবি, হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগ ও ক্রেতাদের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন দেখার, এই ঘোষণার ফলে বীজপুরে বাস্তবে কতগুলি নতুন 'ঝটকা' মাংসের দোকান গড়ে ওঠে এবং এই উদ্যোগ কতটা সাড়া ফেলতে পারে।