আজকাল ওয়েবডেস্ক: আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাবা ও ছেলের রহস্যমৃত্যু। দু’জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শামুকতলা থানার পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ার জেলার শামুকতলা থানার অন্তর্গত গারোখুটা আদিবাসী গ্রামে।
জানা গেছে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় এতোয়া খড়িয়া ও তাঁর ছেলে গঙ্গা খড়িয়ার মধ্যে ঝগড়া লাগে। বাবা ও ছেলের ঝগড়ার পর ছেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। ছেলে ফিরে না আসায় বেশ কিছুক্ষণ পর এতোয়া খড়িয়া প্রতিবেশীদের নিয়ে ছেলেকে খুঁজতে বেরোয়। এরপর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ছেলে গঙ্গা খড়িয়ার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। ছেলের ঝুলন্ত দেহ দেখার পরেই অনুশোচনায় তাঁর বাবা ঘরে গিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।
ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই শামুকতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। বুধবার আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের মর্গে মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই পরিবারের দু’জনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে ওই এলাকায়। আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার খন্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, ‘আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।’ আদিবাসী গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অনেকেই অবাক হয়ে গেছেন।
এদিকে, প্রতিবেশীদের দাবি, বাবা এতোয়া খড়িয়া অতিরিক্ত মদ্যপান করতেন। যা একেবারেই পছন্দ করত না ছেলে। তা নিয়ে মাঝেমাঝেই বচসা হত বাবা–ছেলের। যা মঙ্গলবার মাত্রা ছাড়ায়। তার পরিণতিতেই এই ঘটনা বলে স্থানীয়দের অনুমান।
