আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফের অভিষেকের ব্যানার্জির বাড়িতে হাজিরি সিআইডি আধিকারিকরা। ‘জাল’ সই কাণ্ডে সোমবার ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের। কিন্তু তিনি আজ হাজিরা দেননি। এরপরেই সোমবার বিকেলে অভিষেকের বাড়ির সামনে হাজির হন তদন্তকারী অফিসাররা। কিন্তু তাঁরা বাড়ির ভিতরে ঢুকতে পারেননি। অনেকক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে থাকার শান্তিনিকেতনের সামনে থেকে ফিরে যাঁন তাঁরা। অভিষেক বাইরে আসেননি। সূত্রের খবর, শনিবার যে নোটিস সিআইডির তরফ থেকে তাঁকে ধরানো হয়েছিল, সেই কাগজে সই করে দিয়েছেন তিনি।

গত শনিবার দুপুরে হরিশ মুখার্জি রোডে অভিষেকের বাড়ি শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন সিআইডি-র পাঁচ তদন্তাকারী অফিসার। বিধানসভায় জাল সই কাণ্ডের তদন্তে তাঁকে নোটিস দিয়ে সোমবার ভবানী ভবেন তলব করা হয়েছিল। কিন্তু শনিবার ডায়মন্ড হারবারে হামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক। তাই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে অভিষেক জানিয়ে দেন যে, তিনি ভবানী ভবনে যাবেন না। ১৫ দিন সময় চেয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

এদিন বিকেল ৫টা মিনিট নাগাদ অভিষেকের বাড়ির সামনে হাজির হন। বাড়ির ভিতর থেকে তাঁদের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়। অভিষেকের বাড়ির তরফে জানানো হয় যে, তিনি অসুস্থ তাই এই মুহূর্তে সই করতে আসতে পারবেন না। সিআইডির আধিকারিকদের আগামীকার অর্থাৎ মঙ্গলবার ফের আসতে বলা হয়েছে।

বিধানসভায় সই-বিতর্কে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে ৭০ জন বিধায়ক-সহ নীচে সাংসদ অভিষেকেরও সই ছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ ওঠে যে, স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খোদ জানিয়েছেন, তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত ব্যানার্জি এবং সন্দীপন সাহা স্পিকারের কাছে এই অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সিআইডি তদন্ত করতে শুরু করেছে। সেই তদন্তের স্বার্থে অভিষেকের বাড়িতে হাজির সিআইডি।