আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেই বৈঠকের পর কমিশন মনে করছে, রাজ্যে বিধানসভা ভোট হওয়ার পরিবেশ রয়েছে। 

সূত্রের খবর, বাংলার আইনশৃঙ্খলা খুব খারাপ, এমনও মনে করছে না কমিশন। এসআইআরের প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যে ৬০ লক্ষ নাম বিবেচনাধীন রয়েছে, সেই সব ভোটারের নথি যাচাই এবং নিষ্পত্তি সময়মতো হবে কিনা তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে? কমিশনের মতে, বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তির জন্য পর্যাপ্ত সময় রয়েছে। 


মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সোমবারই বঙ্গবাসীকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট করানোই কমিশনের মূল লক্ষ্য। তার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ করা হবে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, ভোট কীভাবে বঙ্গে, তার একগুচ্ছ নিয়ম জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। কী কী বললেন-

. অবাধ শান্তিপূর্ণ ভোট করানোই লক্ষ্য।

. বাদ যাবে না কোনও বৈধ ভোটারের নাম। 

. ৮০ হাজারের বেশি পোলিং স্টেশন রাজ্যে।

. প্রতিটি পোলিং স্টেশনে ১০০ শতাংশ ওয়েব কাস্টিং হবে।

. মহিলাদের দ্বারা চালিত ১০ হাজারের বেশি পোলিং স্টেশন থাকবে।

. ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ কোটি ৭৮ লক্ষ ভোটদাতা রয়েছে এবার। 

. প্রতিটি পোলিং স্টেশনে জল, শৌচাগার, হুইল চেয়ার, হেল্প ডেস্ক থাকবে।

. ১১ মাসে একগুচ্ছ  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

. ইভিএম-এ প্রার্থীর রঙিন ছবি থাকবে, যাতে কোনও প্রকার সমস্যা না হয় ভোটদাতাদের।

. কোনও বুথে ১২০০-এর বেশি ভোটার নয়।

. ভোট কেন্দ্রের বাইরে মোবাইল রাখার ব্যবস্থা থাকবে, ভোট দানের পর, বেরিয়ে ফোন গ্রহণ করা যাবে।

. প্রতিটি ভোটারকে বুথ লেভেল অফিসার ভোটার স্লিপ দেবে। 

. ভোট সংক্রান্ত সকল আপডেট ECI Net-এ পাওয়া যাবে। 

. ফর্ম ১৭ সি নিয়ে বার্তা। 

. ভোট গণনার পর, সাত দিনের মধ্যে কোনও পরাজিত প্রার্থী ইভিএম পরীক্ষা করতে চাইলে, করতে পারবেন।

. সকল স্তরের ভোট কর্মীদের নিয়ম মানার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

. ভোট যেন হয় উৎসবের আবহে।

. মাদক নিয়ে কড়াকড়ি ভোটের আবহে। 

. গত  ১২ মাসে ৪৭০০ বৈঠক হয়েছে। 

. প্রতি পোলিং স্টেশনের ভোট দানের হার প্রতি দু'ঘণ্টা পর আপডেট হবে।

. প্রশাসনিক কর্তাদের নিরপেক্ষ কাজের নির্দেশ। 

. রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কত দফায় ভোট হবে বঙ্গে।

. লক্ষ্য, যুব সম্প্রদায়কে ভোটদানে উৎসাহিত করা। 

. এসআইআর-এর লক্ষ্য স্বচ্ছ ভোটার তালিকা।