আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাম্প্রতিককালে, বাংলাদেশে অভিযোগ উঠেছে হিন্দু নির্যাতনের। তারেক জমানাতেও একই ঘটনার ছবি। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিএনপির সরকার গঠনের সপ্তাহ ঘোরার আগেই, বাংলাদেশে হিন্দু যুবতীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ২৫ বছর বয়সী এক যুবতীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গিয়েছে, একটি কীর্তন সমাবেশে গিয়েছিলেন ওই যুবতী। সেখান থেকেই তাঁকে অপহরণ করা হয়। অভিযোগ, অপহরণ করে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়। বর্তমানে ওই যুবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা গিয়েছে, যুবতী ইতিমধ্যেই শনাক্ত করেছেন অভিযুক্তদের। যদিও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
২০২৫ এর শেষের দিক থেকেই বাংলাদেশে ক্রমাগত হিন্দুদের উপর অত্যাচার, নির্যাতনের অভিযোগ উঠে এসেছে। তথ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শুরু থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে কমপক্ষে ১১ থেকে ১৫ জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়। একাংশের মত, হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন বেড়েছে ব্যাপক আকারে। নির্যাতনের ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে গণপিটুনি, ছুরিকাঘাত এবং গুলি চালানো। কিছু আক্রমণ ধর্ম অবমাননার অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত, আবার কিছু বিক্ষোভ-পরবর্তী জনতার সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য দীপু দাসের হত্যার ঘটনা। ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫। ময়মনসিংহে গণপিটুনিতে নিহত পোশাক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যা করা হয়। দীপু হত্যায় উত্তাল হয় দেশ। ঘটনার রেশ ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য দেশেও। এরপর, ৫ জানুয়ারী, যশোরে গুলিবিদ্ধ হন হিন্দু সংবাদপত্র সম্পাদক রানা কান্তি বৈরাগী। নরসিংদীতে মণি চক্রবর্তীকে ছুরিকাঘাত করা হয়, অন্যদিকে ঢাকার দক্ষিণে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে হত্যা করা হয়।
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঠিক আগে, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি কংগ্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা সেখানে অভিযোগ করেন, বর্তমান মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন বেড়েছে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
রেবার্ন হাউস অফিস ভবনে হিন্দুঅ্যাকশন ও কোয়ালিশন অব হিন্দুস অব নর্থ আমেরিকা আয়োজিত এই আলোচনায় শতাধিক অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেসের স্টাফ, কূটনীতিক, সাংবাদিক, গবেষক এবং প্রবাসী বাংলাদেশি হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা ছিলেন। তাঁরা সকলেই নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন।
&t=1s
