মিল্টন সেন, হুগলি: নির্যাতিতা শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিধায়ক অসিত মজুমদার। আশ্বাস দিলেন পরিবারের পাশে থাকার। দলের নির্দেশ মেনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে শনিবার সকালে বলাগড়ের শেরপুরে পৌঁছন চুঁচুড়ার বিধায়ক। সঙ্গে ছিলেন বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী, ডুমুরদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শ্যামা প্রসাদ রায় ব্যানার্জি, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবরাজ পাল প্রমুখ। 
গত ২৫ তারিখ তেরো বছরের এক নাবালিকা প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখছিল। শেরপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা অভিযুক্ত দেবাশিস বিশ্বাস নাবালিকাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে একটি নির্মীয়মাণ ঘরে যৌন নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। নাবালিকার এক প্রতিবেশী যুবক তা দেখে ফেলে এবং দেবাশিসকে বিরত করার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। বরং ঘটনার কথা কাউকে জানালে ফল ভাল হবে না বলে ওই যুবককে হুমকি দেয় অভিযুক্ত। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। তবে শুক্রবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বলাগড় থানার পুলিশ। এরপরেই নির্যাতিতা শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বলে দাবি করেন বিজেপি সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি। এদিন বলাগড়ের শেরপুরে পৌঁছে নির্যাতিতা শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিধায়ক অসিত মজুমদার। জানান, তিনি এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস শিশুর পরিবারের পাশে রয়েছে। বিধায়ক অসিত মজুমদারের অভিযোগ, ‘‌সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি পরিযায়ী পাখি। পাঁচ বছর তিনি সাংসদ থেকেছেন, অথচ ওই এলাকা দূরের কথা, কোথাও কোনও দিন যাননি। করোনার সময় তাঁকে দেখা যায়নি। এখন রাজনীতি করতে এসেছেন। বিজেপি সাংসদ সর্যত্রই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন। শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার চক্রান্ত আর কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্ত যে দলই করুক সে আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’‌ বিধায়কের সঙ্গে দেখা করে আশ্বস্ত নির্যাতিতার মা। জানিয়েছেন ধন্যবাদ।